স্বাধীন বাংলা নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে...
Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

জাতীয়

সব খবর

বগুড়ার শিশু আবু বক্করের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মোঃ শামসুল আলম লিটন সহ সম্পাদক:বগুড়ার নন্দীগ্রামের তিন বছর বয়সী শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জন্মগতভাবে চোখের ত্রুটি নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুটির চিকিৎসায় ইতোমধ্যে তিনবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আরও দুটি অস্ত্রোপচার করা গেলে তার চোখটি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবু বক্করের বাড়ি নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের সিদেল গ্রামে। তার বাবা একজন দিনমজুর কৃষক। দুই সন্তানের সংসারে সীমিত আয়ে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন তিনি। এ অবস্থায় শিশুটির চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আকুতি জানিয়ে দেওয়া একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনি শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণের উদ্যোগ নেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন এবং সদস্যসচিব মুকছেদুল মোমিন মিথুনের তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসার বিষয়ে স্থানীয়ভাবে সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর বগুড়ার প্রতিনিধি মো. রাশেদুজ্জামান পিয়াস। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের এই উদ্যোগে আবু বক্করের পরিবার নতুন করে আশার আলো দেখছে। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটি সুস্থ হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করছেন তার স্বজনেরা।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

ধোঁকাবাজি ও সস্তা রাজনীতি পরিহার করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের।

মোঃ শামসুল আলম লিটন সহ সম্পাদক: ধোঁকাবাজি ও সস্তা রাজনীতি পরিহার করে দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম। শুক্রবারে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে এবং বেহেশতের প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার সময় পূজা ও রোজাকে এক করে দেখিয়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে ঢাকের তালে নাচাসহ নানা কর্মকাণ্ড চালানো হলেও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সেই পূজামণ্ডপগুলোতে তাদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি ধোঁকাবাজি ও সস্তা ভোটের রাজনীতি বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরও বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে বিরোধী দলের আসনে বসিয়েছে। তাই বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণ করা এবং জনস্বার্থে কাজ করাই জনগণের প্রত্যাশা। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে বিএনপি সরকারে থাকাকালে বিরোধী দলকে সংসদে বসার জায়গাটুকু পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। অথচ বর্তমানে বিরোধী দলকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সংসদে ও সংসদের বাইরে তাদের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে শোনা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বিরোধী দলের প্রতি রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান এবং দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মিডিয়া

সব খবর

ইতালির চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও একবার বাংলাদেশের সিনেমার মুকুটে যুক্ত হলো নতুন এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন। ইতালির ঐতিহ্যবাহী লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের ২২তম আসরে ফিচার ফিল্ম কম্পিটিশন বিভাগে সেরা সিনেমার পুরস্কার জিনে নিয়েছে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইতালির লুকা শহরে এই আন্তর্জাতিক উৎসবের পর্দা উঠেছিল এবং উৎসবের সমাপনী দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসা এই উৎসবে বিশ্বমানের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্রগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয় বাংলাদেশি এই সিনেমাটিকে। বিশ্ব চলচ্চিত্রের এই মর্যাদাপূর্ণ আসরে সেরা নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে আবারও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিল দেশের চলচ্চিত্র শিল্প।এবারের আসরে মাস্টার ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আরও ১১টি প্রখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু আন্তর্জাতিক সিনেমার মধ্যে ছিল ‘ফার্স্ট ডেজ’, ‘সি সন্স’, ‘স্যালভেশন’, ‘সাপোর্টিং রোল’, ‘দ্য কোয়ায়েট বি-কিপার’ এবং ‘অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’-এর মতো প্রশংসিত সব কাজ। এই শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলোকে পেছনে ফেলে জুরি বোর্ডের নজর কেড়ে সেরার পুরস্কার নিজেদের করে নেয় ‘মাস্টার’। উৎসবের বিচারকমণ্ডলী তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় সিনেমাটির শৈল্পিক উৎকর্ষ ও গভীর বার্তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাদের মতে, একটি স্থানীয় প্রেক্ষাপটের গল্প ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিরাজমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সংকটকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা।চলচ্চিত্রটির গল্প ও চিত্রনাট্যের মুন্সিয়ানার প্রশংসা করে জুরিবোর্ড জানিয়েছে, অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও সূক্ষ্ম বিন্যাসের কারণে দর্শকরা একজন আদর্শবান শিক্ষকের সঙ্গে পরিচিত হন। ন্যায়বিচার ও সুনির্দিষ্ট নীতিতে বিশ্বাসী সেই শিক্ষক কীভাবে বৃহত্তর কল্যাণের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থের পেছনে ছোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থার জটিলাঁজালে পড়ে প্রভাবিত হন, তা অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত নিজেই সিনেমাটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন অভিনেতা নাসির উদ্দিন খান। স্থানীয় রাজনীতিতে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ করা একজন শিক্ষক কীভাবে ক্ষমতার লোভ ও আপসের যাঁতাকলে পড়ে ধীরে ধীরে বদলে যান, মূলত সেই বাস্তবধর্মী কাহিনী নিয়েই এগিয়ে গেছে এই ছবির মূল গল্প।ছবিটিতে নাসির উদ্দিন খান ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় ও প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নিজেদের মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। এই তারকাবহুল তালিকায় রয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু, শরিফ সিরাজ এবং তাসনুভা তামান্না প্রমুখ। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে সিনেমাটির এমন বড় অর্জনে দারুণ উচ্ছ্বসিত নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি জানান যে, লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের এই স্বীকৃতি ‘মাস্টার’ সিনেমার সর্বজনীন আবেদন ও প্রাসঙ্গিকতার একটি বড় প্রমাণ। এবারের প্রতিযোগিতায় বেশ কিছু শক্তিশালী সিনেমা থাকার পরও তাঁর দলের সবার কঠোর পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করায় তিনি বিচারকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৫৫তম আসরেও বিগ স্ক্রিন প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত হয়েছিল এই সিনেমাটি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের ঝুলি ভারী করার পর এবার দেশের দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি উপহার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন নির্মাতা।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

কুড়িগ্রাম রাজারহাটে হরিজন-রবিদাস নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করলেন এাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ।

রতন রায় :কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি-২১ অক্টোবর ২০২৬: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বিজয় দশমীর সন্ধিক্ষণে সনাতন ধর্মাবলম্বী হরিজন ও রবিদাস সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে কুড়িগ্রামের বৈদ্যের বাজার হরিসভা সংস্কৃত কলেজ দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে শতাধিক নারীর মাঝে এ শাড়ি বিতরণ করা হয়। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ; জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ সোহেল; কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি; জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা; রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিলা তাসনিম; উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম; পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক নিতাই চন্দ্র রায় ও সদস্য সচিব রতন রায়; হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক সুশীল সরকার ও সদস্য সচিব সুজন কুমার রায়; পুলক রায়, সুমন রায়, অধির রায়, সুদীপ্ত রায়, নয়ন রায়; মন্দির কমিটির সকল সদস্য এবং উপজেলা বিএনপি'র যুবদল, কৃষকদল, সেচ্ছাসেবক দল,তাতীদল,ছাএদলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নতুন শাড়ি পেয়ে নন্দীনী রানী বলেন, “পূজায় নতুন শাড়ি পেয়েছি, খুব ভালো লাগছে। রাজারহাট উপজেলা পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব রতন রায় বলেন, ভগবানের কৃপা-সরকার ও সকলের সহযোগিতায় এ বছর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিতে দুর্গাপূজা পালন করতে পারছি।”

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত, পড়ার নিয়ম কী

ইসলাম ধর্মে নফল ইবাদতগুলোর মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজ অন্যতম সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ নির্ধারিত হওয়ার আগে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য এই নামাজ আদায় করা বিশেষভাবে বাধ্যতামূলক ছিল। তিনি নিজে যেমন নিয়মিত এই ইবাদত পালন করতেন, তেমনি কোনো কারণে ছুটে গেলে দিনে তা কাজা করে নিতেন এবং সাহাবিদেরও এটি নিয়মিত আদায়ের জোরালো তাগিদ দিতেন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, তাহাজ্জুদ নামাজ হলো অতীতের সৎকর্মশীল ও নেককার বান্দাদের একটি বিশেষ আমল, যা মানুষকে অন্যায় ও পাপকাজ থেকে দূরে রাখে এবং বিভিন্ন শারীরিক রোগব্যাধি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।সাধারণত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে এই নামাজ কত রাকাত পড়া উচিত তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল কাজ করে থাকে। নির্ভরযোগ্য হাদিসের তথ্য অনুযায়ী, তাহাজ্জুদ নামাজ সর্বনিম্ন দুই রাকাত থেকে শুরু করে সর্বমোট কুড়ি রাকাত পর্যন্ত পড়ার বিধান ও বর্ণনা পাওয়া যায়। মহানবী সা. পরিস্থিতি ভেদে কখনো চার রাকাত, কখনো আট রাকাত আবার কখনো বারো রাকাত পর্যন্ত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ সা. সাধারণত সারা বছর নিয়মিতভাবে আট রাকাত করে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন।মুসলমানদের জন্য সময় ও সুযোগের ওপর ভিত্তি করে এই নামাজ আদায়ের পরিধি নির্ধারণ করা যেতে পারে। পর্যাপ্ত সময় থাকলে বারো রাকাত বা আট রাকাত আদায় করা অত্যন্ত উত্তম, তবে ব্যস্ততা বা অন্য কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে অন্তত চার রাকাত পড়া উচিত। এরপরও যদি কারও শারীরিক দুর্বলতা বা সময়ের চরম সীমাবদ্ধতা থাকে, তবে তিনি কমপক্ষে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেও তাহাজ্জুদ আদায়ের পূর্ণ সওয়াব ও নেকি লাভ করতে পারবেন। এই নামাজ দুই রাকাত করে সালাম ফিরিয়ে আদায় করাই সুন্নাহসম্মত এবং সবচেয়ে বেশি উত্তম পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়।তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম বা বিশেষ সুরার বাধ্যবাধকতা নেই, যেকোনো সুরা দিয়েই এই নামাজ পড়া যায়। তবে নবী করিম সা. এই নামাজে দীর্ঘ কেরাত পড়তে পছন্দ করতেন এবং রুকু-সেজদাসহ অন্যান্য রুকনগুলো দীর্ঘায়িত করতেন। বিশেষ করে সিজদায় অবনত হয়ে কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন কল্যাণকর দোয়া পাঠ করার বিশেষ নির্দেশনা ও অনন্য মর্যাদা রয়েছে যা মুমিন বান্দার দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ বয়ে আনে।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে গাল্ফ এক্সচেঞ্জ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ভিডিও লোড করতে সমস্যা হয়েছে। API Key বা Channel ID সঠিক কিনা যাচাই করুন।