Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

হোস্টেল মালিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, ঢাকা কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে মারধর

রাজধানীর জিগাতলা এলাকার একটি আবাসিক হোস্টেলে সাইকেল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের দর্শন, অর্থনীতি এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। সম্প্রতি জুমার নামাজের পর রাজধানীর জিগাতলার ‘ঢাকা রেসিডেন্সি’ নামের ওই হোস্টেলে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সাইকেল চুরির জেরে সৃষ্ট বিরোধের জেরে হোস্টেলের মালিক, ম্যানেজার ও কর্মচারীরা এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনায় ভুক্তভোগীরা জানান, হোস্টেলে থাকা তাদের এক রুমমেটের বাইসাইকেল সকালে চুরি হয়ে যায়। এই চুরির বিষয়ে তারা হোস্টেল কর্তৃপক্ষের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে প্রথমে ক্যামেরা নষ্ট বলে এড়িয়ে যাওয়া হয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের অন্যত্র নিয়ে গিয়ে স্থানীয় কমিটির লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। একপর্যায়ে হোস্টেল ম্যানেজার ও মালিকের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দায়িত্ব নিয়ে তীব্র কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হোস্টেল কর্তৃপক্ষ চুরির ঘটনার দায় নিতে অস্বীকার করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে শিক্ষার্থী রাকিব তার মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হোস্টেল মালিক ও কর্মচারীরা তার হাত থেকে ফোনটি কেড়ে নিয়ে মাটিতে আছড়ে ভেঙে ফেলেন। এরপরই তাদের ওপর চড়াও হয়ে বেদম মারধর শুরু করা হয় এবং জোর করে নিচতলার গেটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।ভুক্তভোগীরা আরও জানান, গেট আটকে বাঁশ দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়, যাতে রাকিবের মাথা ফেটে যায় এবং অন্য শিক্ষার্থীরাও গুরুতর জখম হন। হামলার পর আহত অবস্থায় তাদের কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখা হয় এবং দ্রুত হোস্টেল ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে উদ্ধার পেয়ে তারা ঢাকা কলেজের পশ্চিম ছাত্রাবাসে গিয়ে আশ্রয় নেন। বর্তমানে আহত এক শিক্ষার্থী ধানমন্ডি পপুলার মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং এই বিষয়ে কলেজ প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

রাড্ডা–কাণ্ডে এমপি পদ ছাড়লেন মিস্টি, অন্যদের কী হবে?

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনার পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। সম্প্রতি রাড্ডা নামক একটি বিতর্কিত ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়ানোর পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। এই পদত্যাগের মাধ্যমে মূলত দলের ভেতরের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জোরালো বার্তা দিল বিএনপি।রাজনীতিতে নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দলীয় প্রধানের এই কঠোর অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অতীতে বিভিন্ন সময় দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে। এবার সংসদ সদস্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরাসরি পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে বিএনপি প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, অপরাধ বা বিতর্কের ক্ষেত্রে দলের ভেতর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এর ফলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সততা বজায় রাখার তাগিদ আরও জোরালো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত অন্যান্যদের ভাগ্যে কী ঘটতে চলেছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল একজন সংসদ সদস্য পদ ছাড়লেই বিষয়টির সমাপ্তি ঘটছে না, বরং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য যেসব ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে তাদের ভূমিকাও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বাকিদের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক কিংবা আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট মহলে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পরবর্তী পদক্ষপের দিকে সবার নজর রয়েছে।সামগ্রिक এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মাঝেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, অপরাধের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে শুধু পদত্যাগেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ না রেখে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি বলে তারা মনে করছেন। আগামী দিনে দলটি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে কি না এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের বিষয়ে কী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

মিডিয়া

সব খবর

সেপ্টেম্বর মাসে হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৭০ সংবাদকর্মী

দেশের সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন সংবাদকর্মীরা। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, হামলা এবং আইনি হয়রানির শিকার হয়েছেন অন্তত ৭০ জন গণমাধ্যমকর্মী।প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, আক্রান্ত এই সংবাদকর্মীদের বড় একটি অংশ সরাসরি শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। মোট আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৪০ জন কর্মী মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহকালে বিভিন্ন ধরনের হামলা ও শারীরিক আঘাতের মুখোমুখি হন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।শারীরিক হামলার পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের কণ্ঠরোধ করতে নানামুখী চাপ প্রয়োগের ঘটনাও ঘটেছে। হামলা ছাড়াও বিভিন্নভাবে হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অযৌক্তিক আইনি হয়রানির মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বাকি গণমাধ্যমকর্মীরা। এতে করে দেশের সংবাদকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন।সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং নিপীড়নের ঘটনাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক সংগঠনগুলো।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: ছেলে বললেন, ‘ফেসবুক দেখে জাজ করেন’

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হট্টগোল সৃষ্টি এবং কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে আটক করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিমানবন্দর এলাকায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে বিমানবন্দরের নির্দিষ্ট একটি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সময় তিনি নিয়মের তোয়াক্কা না করে চরম বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করেন।ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, বিমানবন্দর চত্বরে দায়িত্বরত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত ওই সেনা কর্মকর্তার তীব্র বাকবিতণ্ডা বাঁধে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি ওই কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই অনভিপ্রেত আচরণে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে এবং যাত্রীদের মধ্যেও চরম অসন্তোষ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার পর পরই বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ টিম সাবেক মেজর আখতারুজ্জামানকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দর নিরাপত্তা আইনের পরিপন্থী এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে এই আটকের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তার ছেলে গণমাধ্যমকে জানান যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খণ্ডিত ভিডিও ও তথ্য দেখে তার বাবাকে বিচার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, পুরো ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে এবং পরিস্থিতি যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বাস্তবে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ চূড়ান্ত করা হবে।

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

বিপরীত লিঙ্গের প্রতি নিষিদ্ধ আকর্ষণ: আত্মশুদ্ধির ৩ উপায়

ইসলাম ধর্মের অনুশাসন অনুযায়ী বিবাহবহির্ভূত যেকোনো ধরনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা নিষিদ্ধ আকর্ষণ গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। যখন কোনো যুগল ধর্মের নির্ধারিত এই সীমারেখা লঙ্ঘন করে পরকীয়া বা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তখন স্বাভাবিকভাবেই তাদের মনে তীব্র আত্মগ্লানি এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়। এই ধরনের পরিস্থিতি কেবল ধর্মীয় দিক থেকেই নিষিদ্ধ নয়, বরং মানুষের পারিবারিক জীবন ও মানসিক শান্তিকেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।ধর্মীয় ও নৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মানসিক দুর্বলতা বা নিষিদ্ধ আকর্ষণ থেকে মুক্ত হয়ে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পথ হলো দৃঢ় তওবা করা। অতীতে ঘটে যাওয়া ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরণের পাপাচার থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে মনে মনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। তওবা কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা নয়, এটি মানুষের মনকে পবিত্র করতে এবং অপরাধবোধ থেকে মুক্তি দিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।আত্মশুদ্ধির দ্বিতীয় কার্যকর উপায় হলো নিজের দৃষ্টি ও চিন্তাভাবনাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এবং লোভনীয় পরিবেশ থেকে দূরে থাকা। সাধারণত এ ধরনের আকর্ষণ শুরু হয় ছোট কোনো সুযোগ বা নজর দেওয়ার মাধ্যমে, তাই নিষিদ্ধ সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটাতে পারে এমন মাধ্যমগুলো পুরোপুরি বর্জন করতে হবে। মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অপ্রয়োজনীয় মেলামেশার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করলে অনেক বিপথগামিতা থেকেই নিরাপদ থাকা সম্ভব হয়।সর্বোপরি, মনকে সর্বদা ভালো কাজে ব্যস্ত রাখা এবং সৎসঙ্গ বজায় রাখা আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। নিয়মিত ইবাদত-বন্দেগি, দানসদকা এবং ধর্মীয় অনুশাসন চর্চার মাধ্যমে মানুষ তার কুপ্রবৃত্তি দমন করতে সক্ষম হয়। এই আত্মিক অনুশীলনের ফলে ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ বিষয়ের প্রতি আকর্ষণ কমে আসে এবং জীবন மீண்டும் একটি সুস্থ, সুন্দর ও মানসিক শান্তি পূর্ণ পথে ফিরে আসে।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

পিছিয়ে পড়েও ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র ইতালির

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ধনবাড়ীতে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা: খাসপাড়া সড়ক এখন জনগণের ‘

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন shadhinbanglanews

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর খবর