Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

সোনারগাঁ ভেন্ডার সমিতির অসাধু সিন্ডিকেটের রোষানলে দলিলবাণিজ্যে মাতোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার রিয়াজুল ইসলাম

জমি নিবন্ধন সেবাখাতকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সরকার বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ গ্রহনের পরও এ খাতে প্রযুক্তিতে নতুন আশার আলো যেনো কোনোভাবেই বাস্তবায়ন হচ্ছে না। যার কারনে জমি নিবন্ধন সেক্টরে দুর্নীতি কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।  তৃণমূল থেকে উচ্চমহল পর্যন্ত যেন ঘুষের হাট। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি বলছে, সেবা খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে হয় বিচারিক সেবায়। ‎বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত রেজিস্ট্রেশন বিভাগ। এনবিআরের পরেই এর অবস্থান। ৫ই আগস্ট বিপ্লবের পর বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে যেখানে সংস্কার চলছে বড় চ্যালেঞ্জিং নিয়ে। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে বসেও সংস্কারের নামে ঘুষবাণিজ্যে এখনো লিপ্ত কিছু অসাধু কর্মকর্তা। এর মধ্যে অন্যতম নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ সাব রেজিস্ট্রার মো: রিয়াজুল ইসলাম। তিনি পূর্বে কক্সবাজার সদর উপজেলার দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন পাশাপাশি বাংলাদেশ রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০২৫-২৬) নির্বাচিত কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দলিল সম্পাদন, টাকার বিনিময়ে জমির শ্রেণি পরিবর্তন, ফয়সাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণ, ক্রেতা-বিক্রেতাদের হয়রানি, প্রতি দলিলে ১%, না দিলে কাজ তো হবেই না, উল্টো দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে। অবশেষে বাধ্য হয়ে সেবাগ্রাহকদের ঘুষ দিয়েই ফিরতে হবে। অভিযোগগুলোও দীর্ঘদিনের। ‎ ‎মূলত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা গুরুত্বপূর্ণ একটি শিল্প এলাকা, সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য হারে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জমি নিবন্ধনও এখানে হয়ে থাকে। অতিরিক্ত নিবন্ধন ফি ও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের কারণে এখানে জমির দলিল নিবন্ধনের হার প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। এতে মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। ব্যক্তিগত কিংবা বিশেষ প্রয়োজনেও জমি বিক্রি করতে না পারায় ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ জমির মালিকদের। ‎সোনারগাঁ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আগে যেখানে উৎস কর ছিল ৪ শতাংশ, সেখানে এটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮ শতাংশ। পৌরসভার ক্ষেত্রে পৌর কর ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে নিবন্ধনের বাড়তি টাকার চাপে পড়ে অনেকেই জমি কেনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। তবুও এর মধ্যেও ভেন্ডার সমিতির নেতাদের সখ্যতায় নিজেদের মতো ঘুষরেট সাজিয়ে দলিল রেজিস্ট্রির বাইরেও বেশিরভাগই হেবা দলিলের নামে দলিল প্রতি কন্ট্রাকে রেজিস্ট্রি করে যাচ্ছে কর্মকর্তা ও অফিস সিন্ডিকেট মিলে, দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে দলিল প্রতি অফিস খরচের নামে ০.৫% থেকে শুরু করে ১% পর্যন্ত অধিক হারে সাধারণ সেবাগ্রাহকদের হয়রানি করে সেরেস্তা খরচ নামে একত্রতা রেখে এসকল কর্মকান্ডে পূর্বের মতো বর্তমানেও সক্রিয় অসাধু সিন্ডিকেট৷ আর তার সাথেই তাল মেলাচ্ছেন সাব রেজিস্ট্রার মো: রিয়াজুল ইসলাম।  ‎সরকার প্রতিটি সাব রেজিস্ট্রার অফিসে কর্মকর্তা সহ ৪ জন কর্মচারী মিলে মোট ৫ জন স্থায়ীভাবে দায়িত্বরত থাকে। এর বাইরেও অফিসের আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত নকল নবিশদের খরচ চালানোসহ অফিস ভাড়া ইত্যাদি পরিচালনা করতে তারা সমিতির নেতাদের সাথে সখ্যতা রেখে দলিল প্রতি যেই বাড়তি অর্থ আদায় করে থাকে সেখান থেকে একটি খাত সাব রেজিস্ট্রার কর্মকর্তার ফান্ডে, অপর ফান্ডটি অফিস পরিচালনাসহ প্রশাসন-গনমাধ্যম-রাজনৈতিক ট্যাগেল দেওয়া এবং সর্বশেষ ফান্ডটি যোগ হয় সমিতির নামে। উমেদার, অফিস সহকারী, নকল নবিশ থেকে শুরু করে অসাধু দলিল লেখকরা ঘুষ ছাড়া আবেদনই গ্রহণ করেন না। ঘুষ যে শুধু দলিল সম্পাদনেই নেওয়া হয়, তাও নয়।  (নকল) কপিসহ অন্যান্য কাগজপত্র তুলতে গেলেও মোহরানা দিতে হয় সেবাগ্রহীতাদের। সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে সমিতির নাম ভাঙিয়ে প্রতি নকলের কপিতে ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা নেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একইভাবে অন্যান্য সেবাখাতেও দিতে হয় কমিশন, আছে সেবা অনুযায়ী নির্ধারিত অংক! অদৃশ্য এই অনৈতিক অর্থ আদায়ের তালিকা পরিণত হয়েছে নিজস্ব নিয়মে। ‎সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারী আমজাদ, মোহরারগন ও দলিল লেখক ভেন্ডার সমিতি নেতাদের সখ্যতায় শক্তিশালী সিন্ডিকেটে গড়ে উঠেছে। ‎পূর্বের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের মধ্যে বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার আলী আজগর, সর্বশেষ কর্মরত বর্তমানে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মুজিবুর রহমান। পূর্বে যারা এই দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন সকলের আস্থাভাজন সহকারী ছিলেন আমজাদ। পরবর্তী অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে এখানকার কারসাজির স্ব-চিত্র।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

বগুড়া৬ উপনির্বাচনে বিএনপি'র প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, দলীয় নেতা কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস।

বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস। মোঃ শামছুল আলম লিটন ব্যুরো চীফ উত্তরবঙ্গ: বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিএনপি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র রেজাউল করিম বাদশাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত পত্রে মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি একই সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসন থেকেও নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী একটি আসন রেখে অন্যটি ছেড়ে দেওয়ার বাধ্যবাধকতায় তিনি বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেন। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সংবিধান অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন, তবে বিজয়ী হলে একটি আসনই রাখতে পারেন। ফলে বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের পথ খুলে যায়। এই প্রেক্ষাপটে রেজাউল করিম বাদশার মনোনয়ন ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। ইফতারের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে আনন্দমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাকে এই আসনের জন্য শক্ত অবস্থানে রেখেছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। বিএনপি মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ বলেন, দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এখন সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী ৯ এপ্রিলের উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদে গিয়ে বাদশা বগুড়ার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনার বিষয়গুলো জোরালোভাবে তুলে ধরবেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, বিগত বছরগুলোতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়া বগুড়াবাসী এবার নতুন প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। তাদের বিশ্বাস, এই উপনির্বাচন শুধু একটি আসনের ভোট নয়, বরং বগুড়ার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রশ্নও। সব মিলিয়ে বগুড়া-৬ উপনির্বাচন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত বিষয়। সামনে দিনগুলোতে প্রচার-প্রচারণা ঘিরে উত্তাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মিডিয়া

সব খবর

পাংশার কৃতি সন্তান বন্ধন বিশ্বাসের পরিচালিত অপু-আদরের সিক্রেট ফাঁস!

 মাসুদ রেজা শিশির ,রাজবাড়ী প্রতিনিধি সাময়িক বিরতি পেরিয়ে নতুন কয়েকটি সিনেমার প্রস্তুতি হিসেবে ওজন কমিয়ে নতুন লুকে হাজির হয়েছেন ঢালিউড কুইন’খ্যাত জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। নিজেকে পরিবর্তন করে এরই মধ্যে দর্শক মহলে নজর করেছেন অপু বিশ্বাস। শতাধিক সিনেমায় কাজ করা এই তারকার প্রায় ৮০টি ছবির নায়ক ছিলেন শাকিব খান। এ ছাড়া মান্না, অমিত হাসান, কাজী মারুফ, নিরব, বাপ্পী চৌধুরী, সাইমন সাদিক, মামনুন ইমন ও জয় চৌধুরীর মতো তারকাদের সঙ্গেও তিনি পর্দা ভাগাভাগি করেছেন। এই অভিজ্ঞ অভিনেত্রীর সঙ্গে এবার জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন তরুণ নায়ক আদর আজাদ। সম্প্রতি এই জুটিকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও অবশেষে বিষয়টির রহস্য খোলাসা হচ্ছে। সোমবার রাতে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়ে, যেখানে অপু বিশ্বাস ও আদর আজাদ নিজেদের ‘সিক্রেট’ প্রকাশ করেন। নির্মাতা বন্ধন বিশ্বাস তার নতুন চলচ্চিত্র ‘সিক্রেট’–এর শুটিং শুরু করতে যাচ্ছেন। এমকে প্রডাকশন হাউজের ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমায় প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করবেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস, তরুণ নায়ক আদর আজাদ এবং নবাগত নায়ক পীযূস সেন। শুটিং শুরুর আগে সোমবার রাতে রাজধানীর মালিবাগের রাজবাড়ী চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিনেমা সংশ্লিষ্ট নানা তথ্য তুলে ধরেন সংশ্লিষ্টরা। অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বলেন,‘সিক্রেট’-এ দু’জন সুদর্শন নায়ক আমার সঙ্গে কাজ করবে। এর মধ্যে আদর আজাদ একজন পরীক্ষিত নায়ক, আরেকজন ছোটপর্দার পরিচিত মুখ পীযূস এটাই তার প্রথম সিনেমা। তাকে আমরা ওয়েলকাম জানাচ্ছি। বন্ধন বিশ্বাসের সঙ্গে আমার এটি তৃতীয় কাজ তিনি পরীক্ষিত পরিচালক। সব মিলিয়ে আশা করি ভালো একটি সিনেমা হবে। অপু বিশ্বাস আরও বলেন, এখন অনেক প্রযোজক শাকিব খান ছাড়া সিনেমা নির্মাণে আগ্রহী হন না। এমন সময়ে আদর আজাদ ও নতুন নায়ককে নিয়ে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার জন্য এমকে প্রডাকশনকে ধন্যবাদ জানাই। পীযূষ সেন বলেন, আমি দীর্ঘ দশ বছর ধরে ছোট পর্দায় প্রায় দুইশত নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছি। বড় পর্দায় কাজ করার আগ্রহ সবারই থাকে। সেই আগ্রহ থেকেই সিনেমায় যাত্রা শুরু করলাম। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। সংবাদ সম্মেলনে নির্মাতা বন্ধন বিশ্বাস বলেন, অপুর সঙ্গে এটি আমার তৃতীয় সিনেমা। সময়টা খুব হেল্পফুল। গল্প শুনেই সে কাজের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই ছবিতে অপুর বিপরীতে দু’জন নায়ক থাকছে। আমাদের নতুন যাত্রার জন্য সবার দোয়া চাই। প্রযোজনা সংস্থা এম.কে প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় আসন্ন ঈদে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হবে। যেহেতু ঈদের সিনেমা সেজন্য বাণিজ্যিক ও বড় বাজেট নিয়ে কাজ করছি। ছবিটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আগামী মাস থেকে পুরোদমে ছবিটির শুটিং শুরু হবে। পরিচালক বন্ধন বিশ্বাস রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কৃতি সন্তান ইতি পূর্বেও তিনি দর্শকদের চাহিদা পূরন করেছে। এবারও তিনি ভাল সিনেমা বানিয়ে পাংশাবাসি তথা রাজবাড়ী জেলার মুখ উজ্জ্বল করবেন বলে মনে করেন পাংশার আর এক গুনি পরিচালক ও অভিনেতা লিটু করিম।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

বছরের শেষ মুহূর্তে যেমন কাটলো বছরটি

গাজীপুর প্রতিনিধি :- মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।  সময়ের সাথে প্রতিদিন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহারিয়ার খাঁন আনাস বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার আগে মা-বাবার কাছে একটি চিঠি লিখে গিয়েছিল। তাতে সে বলেছিল, ‘স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে থাকতে পারলাম না’।আনাসের মা সানজিদা খান ২০২৫ সালের শুরুর দিন প্রথম আলোতে একটি লেখা লিখেছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলেন, ‘যে সন্তানদের রক্তে নতুন বাংলাদেশ পেলাম, সে বাংলাদেশটা ভালো থাকুক, তা-ই চাই।’২০২৫ সালের আজ শেষ দিন, ৩১ ডিসেম্বর। আজ কি জোর গলায় বলা যায়, বাংলাদেশ ভালো আছে? মানবাধিকার, বাক্‌স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার কি নিশ্চিত হয়েছে? আয়বৈষম্য কি কমেছে, মানুষ কি স্বস্তিতে ও নিরাপদে আছে? ‘প্রশ্নগুলো সহজ, উত্তরও তো জানা’ (বব ডিলানের গান ব্লোয়িং ইন দ্য উইন্ডের কবির সুমনের ভাবানুবাদ)।এটা সত্য যে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে গুম, খুনের মতো মানবাধিকার হরণ বন্ধ হয়েছে। কিন্তু মবের (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) হাতে মানবাধিকার হরণ নতুন করে সামনে এসেছে। সরকার বা সরকারের কোনো ‘এজেন্সি’ আগের মতো সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে না, কিন্তু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর হামলার ভয় বেড়েছে।ন্যায়বিচারের প্রশ্নে উত্তরটি নেতিবাচকই থাকবে। অবিচারের ক্ষেত্রে শুধু পক্ষ বদলেছে। মানুষ নিরাপদে নেই, জাতীয় নিরাপত্তার সংকটের প্রশ্নও সামনে আসছে। আয়বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নেই। কাজ, রোজগার, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে হতাশ মানুষ, যা উঠে এসেছে প্রথম আলোর জাতীয় জনমত জরিপ-২০২৫ এ।সব মিলিয়ে বছরটি ছিল অনিশ্চয়তার। বছরজুড়ে মানুষের মনে প্রশ্ন ছিল, সংস্কার হবে কি, নির্বাচন হবে কি, দেশ কোন দিকে যাচ্ছে? বছরের শেষে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর অনিশ্চয়তা কিছুটা কাটলেও এখন সন্দেহ তৈরি হয়েছে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে কি?অনিশ্চয়তা শুধু আলোচনার বিষয় ছিল না, এটা অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। বিনিয়োগকারীরা নতুন সরকারের অপেক্ষায়, তাই যথেষ্ট বিনিয়োগ হচ্ছে না। এতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ক্রেতারা খরচ করতে দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা বলছেন, বেচাকেনায় গতি কম।সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি তুলে ধরা হয় যে গণ-অভ্যুত্থানের পর এমন পরিস্থিতি বিভিন্ন দেশে হয়েছে। অর্থনীতি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বরং ভালো করেছে। রাষ্ট্রীয় মদদে বড় দুর্নীতি কমেছে, অর্থনীতির পতন সামলানো গেছে, জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচারে অগ্রগতি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘ আলোচনা করেছে, জুলাই সনদ তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে গণভোট হবে। বেশ কিছু সংস্কার হয়েছে, হচ্ছে—যেমন বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় করে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।অবশ্য জুলাইয়ে মানুষের যে বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তার বিপরীতে প্রাপ্তি বেশি নয়। বছর শেষ হওয়ার দুদিন আগে আনাসের মা সানজিদা খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেশটা যেভাবে চলার কথা, সেভাবে চলছে না।’

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।   তিনি আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর আগে এ পৃথিবীতে যারা এসেছিলেন তারা পৃথিবীটাকে আমাদের জন্য সুন্দর করে রেখে গেছেন বলেই আমরা উপভোগ করতে পারছি।   তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের বড় দায়িত্ব হলো আগামী দিনে যারা এই পৃথিবীতে আসবে তাদের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী, সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া জন্য কাজ করা।   মন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেদেরকে সেই কাজে নিয়োজিত করেছি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।   তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর, অধিকার ও বাকস্বাধীনতার দেশ। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। আমাদের এবারের লক্ষ্য হবে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করা। এ জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। দেশের কম বেশি ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড যদি আমরা শক্ত করতে পারি তাহলে বাকি ৩০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড এমনিতেই শক্ত হয়ে যাবে। অর্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির চূড়ান্ত হিসাব শেষ পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যেই নিহিত। মানুষ যত অর্থ-সম্পদই অর্জন করুক না কেন, ক্ষুধা নিবারণই জীবনের মৌলিক সত্য। খাদ্য উৎপাদন, মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।   পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি, খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

অপরাধ

সব খবর

সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে হাজীদেরকে সেবা দিলে এজেন্সিকে পুরস্কৃত করা হবে : ধর্মমন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে হাজীদেরকে সেবা দিলে এজেন্সিকে পুরস্কৃত করা হবে। হাজীদেরকে কষ্ট দিলে শাস্তি পেতে হবে।   আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় পুলিশ কনভেনশন হলে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা হলেন আল্লাহর মেহমান। তাদেরকে সর্বোত্তম সেবা দিতে হবে। তাদের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে। তাদের সাথে কোনো অন্যায় করা যাবে না।   ইফতারের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ইফতার আল্লাহর হুকুম। এ হুকুম সঠিক সময়ে পালন করতে হবে।   নিজেকে খাদেম আখ্যায়িত করে কায়কোবাদ বলেন, খাদেম হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আপনাদের সেবা করার চেষ্টা করে যাব। আপনাদের সন্তুষ্টির জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করার চেষ্টা করব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাব।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

বগুড়া সরকারি দপ্তর সমূহের কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিমা সভা অনুষ্ঠিত।

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি,

নেত্রকোনায় সর্বস্তরের জনগণ ও চালকদলের কাছে বি এন পি'র পক্ষে ভোট চান তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের সভাপতি

জামাতের প্রচারণ,,,

কম্পিউটার ট্রেন ,,,কর্তৃপক্ষর দৃষ্টি আকর্ষণ।

ভোট দেওয়ার জন্য গার্মেন্টস কর্মীরা

জামালপুর সদর ৫ আসনে বিএনপি'র মনোনীত এমপি প্রার্থী এডঃ শাহ ওয়ারেজ আলী মামুন ওয়ার্ড

পে স্কেল নিয়ে যা ঘটলো, ব্রেকিং নিউজ,

ব্রেকিং নিউজ, মোহনগঞ্জ থানা নেত্রকোনা জেলা।