Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী তিন লরি

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় ও কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য ইউরেনিয়ামের নতুন চালানটি সড়কপথে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে চলেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে যে, গত শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কনভয়টি যাত্রা শুরু করে। পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুপুরের মধ্যেই এই বিশেষ চালানটি পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে উৎপাদিত এই তেজস্ক্রিয় জ্বালানি বহনকারী বিমানটি আন্তর্জাতিক আকাশপথ পাড়ি দিয়ে এবং ভারতের নির্ধারিত রুট হয়ে ঢাকায় অবতরণ করে। গত শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে বারোটার দিকে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর বিমানবন্দর থেকেই সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিএইআরএ) অনুমোদিত প্রতিনিধি দল এবং বিশেষজ্ঞরা চালানটি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেন।ইউরেনিয়ামের এই গুরুত্বপূর্ণ চালানটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই রাজধানী থেকে শুরু করে পুরো প্রকল্প এলাকা পর্যন্ত নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিমানবন্দর এলাকা থেকে রওনা হওয়ার সময় থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তাবলয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কড়া পাহারা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া পাবনার ঈশ্বরদী এবং রূপপুর সংলগ্ন পুরো এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশের উপস্থিতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে এই জ্বালানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। রাশিয়া থেকে সরবরাহ করা এই ইউরেনিয়াম নির্দিষ্ট চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। দেশের বিদ্যুৎ খাতের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ এই প্রকল্পের কার্যক্রম এখন চূড়ান্ত ধাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই চালান আসার মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

ফ্যাসিবাদের পাহারাদার তারেক রহমানের দপ্তর: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দপ্তরকে 'ফ্যাসিবাদের পাহারাদার' বলে মন্তব্য করেছেন। সম্প্রতি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাটে এনসিপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।অনুষ্ঠানে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশবাসী নানা কষ্ট ও ত্যাগের বিনিময়ে এক কঠিন বিপ্লব পেরিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ধারায় প্রবেশ করেছে। জনগণের চাওয়া ছিল রাষ্ট্রীয় সংস্কার, কিন্তু একটি মহল দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের তাগিদ দিয়েছিল। তারা দাবি করেছিল নির্বাচন হলে দেশে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে নির্বাচন সম্পন্ন হলেও চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরং বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি কোনো পক্ষ নির্বাচনে কালোটাকা, পেশিশক্তি, চাঁদাবাজির অর্থ কিংবা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের আশ্রয় নিতে আসে, তবে তা বরদাশত করা হবে না। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় সেই বিপ্লবী শক্তিগুলো আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে বলে তিনি चेतावनी দেন।চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সভাপতি লায়ন এম মুন্না চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সিফাত হোসেনের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জুবাইরুল হাসান আরিফ, যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং চট্টগ্রাম মহানগর ও উত্তর জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মিডিয়া

সব খবর

সেপ্টেম্বর মাসে হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৭০ সংবাদকর্মী

দেশের সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন সংবাদকর্মীরা। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, হামলা এবং আইনি হয়রানির শিকার হয়েছেন অন্তত ৭০ জন গণমাধ্যমকর্মী।প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, আক্রান্ত এই সংবাদকর্মীদের বড় একটি অংশ সরাসরি শারীরিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। মোট আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৪০ জন কর্মী মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহকালে বিভিন্ন ধরনের হামলা ও শারীরিক আঘাতের মুখোমুখি হন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।শারীরিক হামলার পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের কণ্ঠরোধ করতে নানামুখী চাপ প্রয়োগের ঘটনাও ঘটেছে। হামলা ছাড়াও বিভিন্নভাবে হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অযৌক্তিক আইনি হয়রানির মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বাকি গণমাধ্যমকর্মীরা। এতে করে দেশের সংবাদকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন।সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং নিপীড়নের ঘটনাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক সংগঠনগুলো।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে বিবস্ত্র করার অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ায় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এই পৈশাচিক আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তির নাম মোয়া আনসার আলী এবং তিনি উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের বাসিন্দা। গত শুক্রবার দুপুরে কাটাখালী গ্রামের একটি রাস্তায় তাকে আটকে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কাটাখালী গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য ওসমান গনির সঙ্গে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবুল বাশারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং সেই মামলায় মো. আনসার আলীকে সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন বাদী ওসমান গনি। বর্তমানে মামলাটির বিচারকার্য শেষের দিকে রয়েছে এবং সাক্ষ্যগ্রহণও সম্পন্ন হয়েছে। মামলার বাদী অভিযোগ করেছেন যে, আবুল বাশার গোপনে তার ভাইয়ের কাছ থেকে একটি জমির দলিল করে নিয়েছিলেন এবং বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর তিনি আদালতে টাকা জমা দিয়ে মামলা করেন।ভুক্তভোগী আনসার আলী জানান, মামলা চলাকালীন গত ২৫ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত আবুল বাশার তাকে আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি দেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তবে সব হুমকি উপেক্ষা করে তিনি নিয়ম অনুযায়ী আদালতে সত্য কথা বলে সাক্ষ্য দেন। এর জেরে গত শুক্রবার দুপুরে কাটাখালী বাজারের নিকটবর্তী রাস্তায় তাকে একা পেয়ে আবুল বাশার ও তার জামাতা আশিক অতর্কিত হামলা চালান। মারধরের একপর্যায়ে তাকে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। পরে পরিবারের লোকজন ও স্বজনেরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।এদিকে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবুল বাশার তার বিরুদ্ধে ওঠা মারধর ও বিবস্ত্র করার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার দিন তিনি বাজারে বসে থাকা অবস্থায় আনসার আলী পেছন থেকে এসে তাকে ধাক্কা দেন এবং এর জের ধরেই কেবল তাদের মধ্যে সামান্য হাতাহাতি হয়েছে। তবে কাটাখালী ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোড রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয়রা বলছেন, জমি সংক্রান্ত মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণেই আনসার আলীর ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন যে, এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে পুলিশ যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৩ অক্টোবর ২০২৬

দৈনন্দিন জীবনকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করতে এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বা নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুমিন মুসলমানের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত, যা আত্মিক প্রশান্তি ও জীবনে বরকত বয়ে আনে। ব্যস্ততাময় জীবনের নানা জালের মাঝেও সঠিক সময়ে এই ফরজ বিধান পালন করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হয়।রাজধানী ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মুসল্লিদের সুবিধার্থে আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে দেশের অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সাথে কিছু মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করতে হয়। সঠিক সময়ে ইবাদত সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় সময়ের এই ব্যবধান সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।সালাত কেবল একটি শারীরিক ইবাদত নয়, এটি বান্দার সাথে তার স্রষ্টার যোগাযোগের এক অনন্য মাধ্যম। নিয়মিত ও সময়মতো সালাত আদায় করার মাধ্যমে মানুষের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মন ও আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। জীবনের শত ব্যস্ততা ও প্রতিকূলতার মাঝেও পরম করুণাময়ের স্মরণে সময় বরাদ্দ করা প্রতিটি মুমিনের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।পবিত্র এই বিধান যথাযথভাবে পালনের মধ্য দিয়ে মানুষ তার জীবনে ইমানের আলো বা নুরের দ্যুতি ছড়িয়ে দিতে পারে। তাই দুনিয়াবি কাজের পাশাপাশি সঠিক সময়ে সালাত আদায়ের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে আরও বেশি অর্থবহ ও কল্যাণময় করে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী তিন লরি

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ভিডিও লোড করতে সমস্যা হয়েছে। API Key বা Channel ID সঠিক কিনা যাচাই করুন।