Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে আসছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে, এর মধ্যে একটি হলো এই নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টার না রাখার পক্ষে।’ স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিনি জানান, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধান বাতিল করা হবে। একইভাবে ইভিএম ব্যবহারের নিয়মও থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। বর্তমানে নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য সমর্থন হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে কী পরিমাণ বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। একই সঙ্গে ফেরারি আসামিরাও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।   তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ, সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে। ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। ঈদের আগে আরেকটি বৈঠক করা গেলে খসড়া বিধিমালা কমিশনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন আগামী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার। প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়। তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। তিনি বলেন, ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে ‘হুংকার’ দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে। চতুর্থত-নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনি দায়িত্বে থাকেন। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জাল ভোট আমি করতে দেব না, বা দুই নম্বর কাজ হবে না-তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে।  তিনি বলেন, নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও। সহিংসতাহীন ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, এজন্য সরকারের শতভাগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন প্রয়োজন। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের স্বার্থেই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত। তিনি বলেন, সহিংসতা মূলত আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। কেউ সংঘর্ষ সৃষ্টি করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি হবে। তবে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোরও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে প্রার্থীরা রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনি পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে যাতে তারা-নির্বাচনি পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে। দলবাজি বা উত্তেজনা তৈরির প্রচেষ্টা না চালায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা না করলে আমরা কী করব? খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’ তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে। ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। তিনি জানান, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা; আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে।’

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি প্রকাশ্যে বা পাথর নিক্ষেপ করে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানায় না

নিজন্ব প্রতিবেদন: বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি প্রকাশ্যে বা পাথর নিক্ষেপ করে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানায় না। শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও তারা শরিয়া আইন থেকে দূরে থাকতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ আসামি গ্রেফতার করা। আসামি ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। বাকিটা আইন মন্ত্রণালয়ের কাজ। আজকে আইনমন্ত্রীও বলেছেন ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুত বিচার হবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘এখন অনেকের দাবি প্রকাশ্যে ধর্ষণের শাস্তির আইন। হ্যাঁ, জনগণ চাইলে একটি রাষ্ট্রে সব হতে পারে। এমনকি শরিয়া আইনেও ধর্ষকের শাস্তি হতে পারে। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি কি প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর চায়? চাইলে তারা বিবৃতি দিক বা সাংবাদিক সম্মেলন করে বলুক। এ বিষয়ে কনসেনসাসে আসলে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহজ হবে।’ বিএনপির এই নেতা দাবি করেন, ‘কিন্তু তারাও প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চায় না। কিন্তু সব দোষ বিএনপির!’ ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও যারা শরিয়া আইন থেকে দূরে থাকতে চায়, তারা ইসলামিক দল হতে পারেনা!’

মিডিয়া

সব খবর

জীবনের মোড় ঘোরানো সময়ে যারা পথ দেখিয়েছেন বোমান ইরানি

স্বাধীন বাংলা নিউজ: বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বোমান ইরানি সম্প্রতি কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘ফিকি ফ্লো’র অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে ফিল্মি কোনো আড্ডা ছিল না। ছিল নারী উদ্যোক্তা ও পেশাদার অনুষ্ঠান।   'ফিকি ফ্লো' হচ্ছে— ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নারী শাখা। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সর্বভারতীয় ফোরামটি নারী উদ্যোক্তা ও পেশাদারদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করা একটি সংগঠন। সেই অনুষ্ঠানে অভিনেতা ইরানি জানালেন তার জীবনযুদ্ধের কথা। মায়ের উৎসাহই তার জীবনের টার্নিং পয়েন্টের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেন। বোমান ইরানি বলেন, জীবনের মোড় ঘোরানো সময়ে যারা পথ দেখিয়েছেন, তারা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের কথা বলতে চাই। আমি ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বরে জন্মেছি। পরের বছরের মে মাসে আমার বাবা মারা যান। তাই আমি বাবাকে কোনো  দিন কাছ থেকে দেখিনি।  তিনি বলেন, আমার বড় হওয়া নারীদের ঘিরে। আমার মা, তিন বোন আর আত্মীয়দের মাঝেই আমার শৈশব কেটেছে। তারাই আমাকে বড় করে তুলেছেন। সে কারণে আমি নারীদের বোঝার এক ধরনের ক্ষমতা পেয়েছি।  এ অভিনেতা বলেন, ছোটবেলায় আমি খুব লাজুক ছিলাম। তোতলাতাম। কথা জড়িয়ে যেত। অনেকেই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন। ধীরে ধীরে আমি ভয় পেতে শুরু করি। মনে হতো আমি কথা বললে মানুষ আমাকে জাজ করবেন। একসময়ে আমি কথা বলাই বন্ধ করে দিই। কিন্তু পরে আমি গান গাইতে শুরু করি এবং মঞ্চে উঠি। সেখানেই আমি প্রথম নিজের ভেতরের আনন্দ খুঁজে পাই।  বোমান ইরানি বলেন, সেদিন আমার মা আমাকে মঞ্চে দেখে হেসেছিলেন। পরে বলেছিলেন— প্রথমবার আমাকে সত্যিকারের আনন্দে হাসতে দেখেছিলেন। মা বুঝেছিলেন আমি কোথায় স্বচ্ছন্দবোধ করি। তাই তিনি আমাকে গান, নাটক, বক্তৃতার ক্লাসে পাঠাতে শুরু করেন। প্রতিদিন আমাকে সিনেমা দেখতেও পাঠাতেন। ধীরে ধীরে আমি আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই। এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, আমি জীবনে অনেক দৌড়েছি। অনেকবার পড়ে গেছি। আবার উঠে দাঁড়িয়েছি। কোথাও আটকে থাকিনি। কোনো খাঁচার মধ্যে বন্দি ছিলাম না। জীবন দিয়ে বুঝেছি— টাকা বা সাফল্যের চেয়ে নৈতিকতার মূল্য অনেক বেশি। এ কথাই আমি আজও মানুষকে বলি।  তিনি বলেন, আমার সন্তানদের বলি— আমার নাতি-নাতনিদেরও বলি। জীবনে সাফল্য পাওয়ার কোনো শর্টকাট হয় না। কোনো সহজ পথ নেই। আমার কাছে জীবন মানে হলো ব্যর্থতা থেকে শেখা এবং ভুল শুধরে নেওয়া। কেউ আপনাকে সংশোধন করলে সেটা খারাপভাবে নেওয়া উচিত নয়। মানুষকে উৎসাহ দিন, তাদের শক্তি দিন, ভালোবাসা দিন। তাদের ভুল খুঁজে বের করবেন না। বোমান ইরানি বলেন, নিখিল শর্মার ‘লেটস টক’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলাম। সিনেমাটা কেউ দেখেননি। নিখিল কেন ফিল্মটা বানিয়েছিলেন জানি না। সেই ফিল্ম দেখে একদিন বিধু বিনোদ চোপড়া ফোন করেন। উনি আমাকে একটা ফিল্মের জন্য দুই লাখ টাকা অ্যাডভান্স দেন। আমি জানতে চাই— ফিল্মের বিষয় কী? কে কে আছেন? উনি বললেন— কিছু ঠিক হয়নি। কিন্তু পরে তুমি ব্যস্ত হয়ে পড়বে। তাই এই টাকাটা দিয়ে রাখলাম, যাতে পরে ডেট পাই।  এ অভিনেতা বলেন, সেই ফিল্মটাই ছিল ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’। রাজকুমার হিরানির সঙ্গেও প্রথম সাক্ষাৎ সেই ফিল্মের সূত্রেই। এই ফিল্মে সব অভিনেতা পরিবর্তিত হয়েছেন। শুধু আমার কাস্টিং প্রথম থেকে ঠিক ছিল। সঞ্জয় দত্তের প্রথমে জিমি শেরগিলের চরিত্রটা করার কথা ছিল। আর শাহরুখ খানের মুন্নাভাইয়ের চরিত্রটা। শাহরুখ সেই সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নায়ক-নায়িকা বদলে যায় সিনেমার। বোমান ইরানি বলেন, আমি ছবি তুলতে খুব পছন্দ করি। এ কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না। অনেক টাকা দিয়ে ফটোগ্রাফির সরঞ্জাম কিনে ফেলেছিলাম। কিন্তু হাতে কোনো কাজ ছিল না। শেষে অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের টিমের তরফ থেকে কল পাই। ওর ফটোশুট করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাইনি। যে সময়ে আমি খুব স্ট্রাগল করেছিলাম, একটি বিদেশি পত্রিকা আমার ছবি ছাপার জন্য ৯০০ ডলার দিত। যতবার রি-প্রিন্ট করত, ততবার ওই পরিমাণ টাকা দিত। আমাকে তারা কোনো দিন দেখেননি। আমার ছবি ছাপলে জানতেও পারব না। কিন্তু তবু সেই পত্রিকা প্রতিবার টাকা দিত। তাতে আমি শিখেছিলাম নৈতিকতা কতটা জরুরি।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।   তিনি আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর আগে এ পৃথিবীতে যারা এসেছিলেন তারা পৃথিবীটাকে আমাদের জন্য সুন্দর করে রেখে গেছেন বলেই আমরা উপভোগ করতে পারছি।   তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের বড় দায়িত্ব হলো আগামী দিনে যারা এই পৃথিবীতে আসবে তাদের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী, সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া জন্য কাজ করা।   মন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেদেরকে সেই কাজে নিয়োজিত করেছি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।   তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর, অধিকার ও বাকস্বাধীনতার দেশ। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। আমাদের এবারের লক্ষ্য হবে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করা। এ জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। দেশের কম বেশি ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড যদি আমরা শক্ত করতে পারি তাহলে বাকি ৩০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড এমনিতেই শক্ত হয়ে যাবে। অর্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির চূড়ান্ত হিসাব শেষ পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যেই নিহিত। মানুষ যত অর্থ-সম্পদই অর্জন করুক না কেন, ক্ষুধা নিবারণই জীবনের মৌলিক সত্য। খাদ্য উৎপাদন, মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।   পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি, খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

অপরাধ

সব খবর

বাগেরহাটের চিতলমারিতে শিশু হত্যার মামলায় সৎ মাকে গ্রেপ্তার হয়েছে রেব ৩ ও ৬ এর যৌথ অভিযানে।

*বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানাধীন এলাকায় ৩ বছরের শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামী সৎমা আয়েশা আক্তার (২২)’কে ঢাকা জেলার আদাবর থানাধীন এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩ ও র‍্যাব-৬ এর যৌথ আভিযানিক দল|*  ১| র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে| সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি খুন, চাঁদাবাজি, চুরি, কিশোর গ্যাং, ডাকাতি ও ছিনতাই চক্রের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের জন্য র‍্যাবের জোরালো তৎপরতা অব্যাহত আছে| এছাড়াও বিভিন্ন হত্যাকান্ডের দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকা বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনপূর্বক হত্যাকারীদেরকে গ্রেফতার করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে র‍্যাব সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে| ২| এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৩ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ১৬ মে ২০২৬ তারিখ ২০১৫ ঘটিকার সময় ঢাকা মহানগরীর আদাবর থানাধীন ঢাকা উদ্যান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানাধীন এলাকায় সৎমা কর্তৃক ৩ বছরের শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামী আয়েশা আক্তার (২২), পিতাঃ মুরাদ হোসেন শেখ, সাং-চর ডাকাতিয়া, থানাঃ চিতলমারী, জেলাঃ বাগেরহাট’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়| ৩| মামলার এজাহার ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ধৃত আসামি আয়েশা আক্তার (২২) ভিকটিম খাদিজা আক্তার (৩) এর সৎমা| ভিকটিম খাদিজা আক্তার এর মায়ের সাথে তার বাবার বনিবনা না হওয়ায় ভিকটিম এর বাবা ও মা এর ডিভোর্স হয়| পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং ভিকটিম খাদিজা তার বাবার সাথেই থাকতে শুরু করে| ভিকটিমের সৎমা ভিকটিমের বাবার সাথে বিবাহের পর ধৃত আসামি ভিকটিমদের বাড়িতে এসে ভিকটিমকে দেখতে পেয়ে বিরক্ত বোধ করে| ধৃত আসামি ভিকটিমকে সর্বদা গালমন্দ করতো| ভিকটিমের গায়ের রং কালো বিধায় ধৃত আসামি ভিকটিমকে নানা সময় গালিগালাজ করতো এবং ভিকটিমকে অন্য কোথাও চলে যেতে বলে| ভিকটিম অন্য কোথাও চলে না গেলে ধৃত আসামী ভিকটিমকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিবে বলে জানায়| পরবর্তীতে গত ০৪/০৯/২০২৪ তারিখ ভিকটিমের দাদা-দাদী ও বাবা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ির বাহিরে চলে গেলে ধৃত আসামি ভিকটিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে খাটের নিচে রেখে দেয়| ভিকটিমের বাবা তুহিন শেখ মাঠের কাজ শেষ করে আনুমানিক ১১০০ ঘটিকার সময় বাড়িতে এসে মেয়েকে খোঁজাখুজি শুরু করলে ধৃত আসামি জানায় মেয়ে কোথায় গিয়েছে সে বলতে পারে না| খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ধৃত আসামি আয়েশা ভিকটিমকে বাড়ির পাশের্^র পুকুরে খুঁজতে বলে| পুকুরে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে ঘরের মধ্যে খুঁজতে গিয়ে দেখে ভিকটিম খাদিজা অচেতন অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে| পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে জীবিত ভেবে চিতলমারী মা ক্লিনিকে নিলে ভিকটিমকে ডাক্তার দেখে চিতলমারী সরকারী হাসপাতালে নিতে বলে| ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে ১৪২৫ ঘটিকায় চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায় তাদের বাচ্চা অনেক আগেই মারা গেছে| উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয় (মামলা নং-০২, তারিখ ০৪/০৯/২০২৪)| উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৬ এর অধিযাচনের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল কর্তৃক ধৃত আসামি আয়েশা আক্তারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়| ৪| ধৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে| মোঃ মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  ইন্ট এন্ড মিডিয়া অফিসার  পক্ষে পরিচালক

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

বোকারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।

মোহাম্মদ আরমান মিয়া , সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট স্বাধীন বাংলা নিউজ:  বুখারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।  বক্তা চেঙ্গিস খানের বুখারা বিজয়ের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে বর্তমান সময়ের সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং মুসলিম বিশ্বের পরিস্থিতির তুলনা করেছেন। ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চেঙ্গিস খান ও বুখারা।  * চেঙ্গিস খান যখন বুখারা জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার আলেমদের (ধর্মীয় পণ্ডিত) একটি মসজিদে একত্রিত করতে বলেন।  * তিনি ঘোড়ায় চড়ে সেই মসজিদে প্রবেশ করেন এবং আলেমদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেন।  * প্রশ্নটি ছিল: **"তোমরা তোমাদের রবের সাথে এমন কী অবাধ্যতা করেছ যে, তিনি আমাকে তোমাদের ওপর আযাব (শাস্তি) হিসেবে পাঠিয়েছেন?"**  * বক্তা উল্লেখ করেন যে, সেই সময় বুখারার আলেম ও মানুষরা কুরআন-সুন্নাহ এবং নবীর আদর্শ ছেড়ে গ্রিক দর্শনের মতো বিজাতীয় চিন্তাধারায় ডুবে গিয়েছিলেন, যা তাদের পতনের কারণ হয়েছিল। ২. বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তুলনা (UAE ও দুবাই) বক্তা এই ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবি) এবং মুসলিম বিশ্বের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করেছেন:  * **ধর্মীয় পরিবর্তন:** তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রায় দুই দশক আগে থেকেই সেখানে ধর্মীয় বই ও পাঠ্যক্রম থেকে কুরআন ও হাদীসের সেই অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে যা ইহুদিদের শত্রুতা সম্পর্কে সতর্ক করে।  * **সম্পর্ক ও আদর্শ:** কুরআনের নির্দেশের বিপরীতে ইহুদিদের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব এবং তাদের 'ধর্মীয় ভাই' বা 'কাজিন' হিসেবে গ্রহণ করার প্রচার চালানো হচ্ছে।  * **ইসলামী বিধি-বিধানের লঙ্ঘন:** রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আরব উপদ্বীপে মন্দির এবং সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) নির্মাণ করা হয়েছে।  ৩. বক্তার মূল বার্তা: বক্তা বলতে চেয়েছেন যে, যখনই মুসলিম জাতি তাদের মূল ধর্মীয় আদর্শ ও আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ শুরু করে, তখনই তাদের ওপর বিপর্যয় নেমে আসে। তিনি সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা ও সংঘাতকে (যেমন ইরান-ইসরায়েল বা আঞ্চলিক অস্থিরতা) আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরণের সতর্কবার্তা বা শাস্তি হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। **সারসংক্ষেপ:** মূলত মুসলিম উম্মাহকে তাদের ধর্মীয় মূলনীতির দিকে ফিরে আসার এবং বিজাতীয় আদর্শ বর্জন করার একটি কড়া আহ্বান।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

খাল খনন 'মাছে-ভাতে বাঙালি'র সেই দিন ফিরিয়ে আনবে - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী,

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন shadhinbanglanews

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর খবর