Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

আগামীকাল এসএসসির ফল প্রকাশ, যেভাবে জানবেন

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল সোমবার (১০ আগস্ট)। গত শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফলাফল পাওয়া যাবে। নিজ নিজ বোর্ডের ফল সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd থেকেও ফলাফল জানা যাবে। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মুঠোফোনে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল।   তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

শুলকবহরে ক্যান্সার রোগীদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ, মানুষের পাশে থাকার আহ্বান

মোহাম্মদ রবিউল হোসেন : চট্টগ্রাম /চট্টগ্রাম মহানগরীর ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের মাঝে বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ পরিষদ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত এককালীন চিকিৎসা ভাতার চেক বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) শুলকবহর ওয়ার্ডে আয়োজিত এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন। ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ড  বিএনপির আহবায়ক কাজী শামসুল আলম এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হাসান চৌধুরী ওসমান এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহিদুর রহমান বেলাল।  এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহআলম চৌধুরী, দিদারুল আলম, মোঃ শাহজাহান, মোঃ ইব্রাহিম,    জয়নাল আবেদীন নুরু,  তৌহিদুল ইসলাম রানা, টুটুল, হাবিবুর রহমান, ডা. নাছির উদ্দীন শিবলী, সরওয়ার সুফি, মনসুর আলম, মুজিব, আকবর, অহিদুল আলম কানন, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন জিসান, খোরশেদ আলম, জসিম, রিদুয়ান হোসেন জনি, মো. সাদেক, আমজাদ হোসেন, মাসুদ আহমেদ রানা,   লোকমান, আলী আকবর, সাইমন, আলমগীর, আবদুল কাদের, ফোরকান, ইরফান উদ্দিন সাগর, সাঈদ, নাছির, সানী, ফাহিম, জিয়া সহ ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা অনেক পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারি চিকিৎসা সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ অসহায় রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে। বক্তারা বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জননেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একান্ত প্রচেষ্টায় ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের এককালীন চিকিৎসা ভাতা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে অসহায় ও চিকিৎসাসহায়তা প্রত্যাশী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এ ধরনের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি চিকিৎসা সহায়তা প্রাপ্ত রোগীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে প্রধান অতিথি বরাদ্দপ্রাপ্ত ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের হাতে এককালীন চিকিৎসা ভাতার চেক তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপকারভোগী রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মিডিয়া

সব খবর

জীবনের মোড় ঘোরানো সময়ে যারা পথ দেখিয়েছেন বোমান ইরানি

স্বাধীন বাংলা নিউজ: বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বোমান ইরানি সম্প্রতি কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘ফিকি ফ্লো’র অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে ফিল্মি কোনো আড্ডা ছিল না। ছিল নারী উদ্যোক্তা ও পেশাদার অনুষ্ঠান।   'ফিকি ফ্লো' হচ্ছে— ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নারী শাখা। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সর্বভারতীয় ফোরামটি নারী উদ্যোক্তা ও পেশাদারদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করা একটি সংগঠন। সেই অনুষ্ঠানে অভিনেতা ইরানি জানালেন তার জীবনযুদ্ধের কথা। মায়ের উৎসাহই তার জীবনের টার্নিং পয়েন্টের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেন। বোমান ইরানি বলেন, জীবনের মোড় ঘোরানো সময়ে যারা পথ দেখিয়েছেন, তারা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের কথা বলতে চাই। আমি ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বরে জন্মেছি। পরের বছরের মে মাসে আমার বাবা মারা যান। তাই আমি বাবাকে কোনো  দিন কাছ থেকে দেখিনি।  তিনি বলেন, আমার বড় হওয়া নারীদের ঘিরে। আমার মা, তিন বোন আর আত্মীয়দের মাঝেই আমার শৈশব কেটেছে। তারাই আমাকে বড় করে তুলেছেন। সে কারণে আমি নারীদের বোঝার এক ধরনের ক্ষমতা পেয়েছি।  এ অভিনেতা বলেন, ছোটবেলায় আমি খুব লাজুক ছিলাম। তোতলাতাম। কথা জড়িয়ে যেত। অনেকেই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন। ধীরে ধীরে আমি ভয় পেতে শুরু করি। মনে হতো আমি কথা বললে মানুষ আমাকে জাজ করবেন। একসময়ে আমি কথা বলাই বন্ধ করে দিই। কিন্তু পরে আমি গান গাইতে শুরু করি এবং মঞ্চে উঠি। সেখানেই আমি প্রথম নিজের ভেতরের আনন্দ খুঁজে পাই।  বোমান ইরানি বলেন, সেদিন আমার মা আমাকে মঞ্চে দেখে হেসেছিলেন। পরে বলেছিলেন— প্রথমবার আমাকে সত্যিকারের আনন্দে হাসতে দেখেছিলেন। মা বুঝেছিলেন আমি কোথায় স্বচ্ছন্দবোধ করি। তাই তিনি আমাকে গান, নাটক, বক্তৃতার ক্লাসে পাঠাতে শুরু করেন। প্রতিদিন আমাকে সিনেমা দেখতেও পাঠাতেন। ধীরে ধীরে আমি আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই। এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, আমি জীবনে অনেক দৌড়েছি। অনেকবার পড়ে গেছি। আবার উঠে দাঁড়িয়েছি। কোথাও আটকে থাকিনি। কোনো খাঁচার মধ্যে বন্দি ছিলাম না। জীবন দিয়ে বুঝেছি— টাকা বা সাফল্যের চেয়ে নৈতিকতার মূল্য অনেক বেশি। এ কথাই আমি আজও মানুষকে বলি।  তিনি বলেন, আমার সন্তানদের বলি— আমার নাতি-নাতনিদেরও বলি। জীবনে সাফল্য পাওয়ার কোনো শর্টকাট হয় না। কোনো সহজ পথ নেই। আমার কাছে জীবন মানে হলো ব্যর্থতা থেকে শেখা এবং ভুল শুধরে নেওয়া। কেউ আপনাকে সংশোধন করলে সেটা খারাপভাবে নেওয়া উচিত নয়। মানুষকে উৎসাহ দিন, তাদের শক্তি দিন, ভালোবাসা দিন। তাদের ভুল খুঁজে বের করবেন না। বোমান ইরানি বলেন, নিখিল শর্মার ‘লেটস টক’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলাম। সিনেমাটা কেউ দেখেননি। নিখিল কেন ফিল্মটা বানিয়েছিলেন জানি না। সেই ফিল্ম দেখে একদিন বিধু বিনোদ চোপড়া ফোন করেন। উনি আমাকে একটা ফিল্মের জন্য দুই লাখ টাকা অ্যাডভান্স দেন। আমি জানতে চাই— ফিল্মের বিষয় কী? কে কে আছেন? উনি বললেন— কিছু ঠিক হয়নি। কিন্তু পরে তুমি ব্যস্ত হয়ে পড়বে। তাই এই টাকাটা দিয়ে রাখলাম, যাতে পরে ডেট পাই।  এ অভিনেতা বলেন, সেই ফিল্মটাই ছিল ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’। রাজকুমার হিরানির সঙ্গেও প্রথম সাক্ষাৎ সেই ফিল্মের সূত্রেই। এই ফিল্মে সব অভিনেতা পরিবর্তিত হয়েছেন। শুধু আমার কাস্টিং প্রথম থেকে ঠিক ছিল। সঞ্জয় দত্তের প্রথমে জিমি শেরগিলের চরিত্রটা করার কথা ছিল। আর শাহরুখ খানের মুন্নাভাইয়ের চরিত্রটা। শাহরুখ সেই সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নায়ক-নায়িকা বদলে যায় সিনেমার। বোমান ইরানি বলেন, আমি ছবি তুলতে খুব পছন্দ করি। এ কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না। অনেক টাকা দিয়ে ফটোগ্রাফির সরঞ্জাম কিনে ফেলেছিলাম। কিন্তু হাতে কোনো কাজ ছিল না। শেষে অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের টিমের তরফ থেকে কল পাই। ওর ফটোশুট করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাইনি। যে সময়ে আমি খুব স্ট্রাগল করেছিলাম, একটি বিদেশি পত্রিকা আমার ছবি ছাপার জন্য ৯০০ ডলার দিত। যতবার রি-প্রিন্ট করত, ততবার ওই পরিমাণ টাকা দিত। আমাকে তারা কোনো দিন দেখেননি। আমার ছবি ছাপলে জানতেও পারব না। কিন্তু তবু সেই পত্রিকা প্রতিবার টাকা দিত। তাতে আমি শিখেছিলাম নৈতিকতা কতটা জরুরি।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে টেম্পারিং করা বিষাক্ত মদ পান করে এক সাংবাদিক-সহ দুইজনের মৃত্যু

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে টেম্পারিং করা বিষাক্ত মদ পান করে এক সাংবাদিকসহ দুইজনের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পেছনে পরিকল্পিত হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার-এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি বেলাল হোসেন, মোস্তাফিজ, কাউসারসহ কয়েকজন পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে যান। সেখানে তারা স্থানীয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আলাউদ্দিন এর প্রধান সহকারী আরিফ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে "ভ্যালেন্টাইন হুইস্কি" নামে ২ টি বিদেশি মদের বোতল কেনেন।পরে তারা পতেঙ্গা হোটেল সংলগ্ন একটি আবাসিক হোটেলে গিয়ে ওই মদ পান করেন। জানা যায় তারা যে মদটি পান করেছিলেন সেটি ছিল টেম্পারিং করা এবং বিষাক্ত উপাদান মিশ্রিত। মদ পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে নিজ নিজ বাসায় ফিরে গেলেও শুক্রবার সকালে তাদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে বেলাল হোসেন, মোস্তাফিজ এবং কাউসারকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিক বেলাল হোসেন মারা যান। একই দিন সন্ধ্যায় মারা যান মোস্তাফিজ প্রকাশ লালচাঁদ। অপরদিকে কাউসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে সাংবাদিক বেলাল হোসেনের পেশাগত কর্মকাণ্ড। অনুসন্ধানে একাধিক সূত্র দাবি করেছে, পতেঙ্গা এলাকার মাদক সম্রাট আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সংবাদ প্রকাশ করায় তার সঙ্গে বেলাল হোসেনের বিরোধ চলছিল।এছাড়া সম্প্রতি পতেঙ্গার সীবার্ড রেস্টুরেন্টে ভেজাল খাবার পরিবেশনের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন বেলাল হোসেন। ওই রেস্টুরেন্টের সঙ্গে কৃষকদল নেতা নাসিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। পরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সেখানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলে নাসিরের সঙ্গেও বেলাল হোসেনের বিরোধ সৃষ্টি হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মাদক ব্যবসা ও সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন এবং নাসিরের সঙ্গে চলমান বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে বিষাক্ত বা টেম্পারিং করা মদ সরবরাহ করা হয়ে থাকতে পারে এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন, সহকর্মী সাংবাদিক এবং স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি শুধুমাত্র বিষাক্ত মদপানে মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যার সম্ভাবনাও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে হবে। তারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

চট্টগ্রামে শাহ আমানত হজ্ব কাফেলার নতুন ঠিকানায় অফিস উদ্বোধন

  মোহাম্মদ রবিউল হোসেন / চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের মুরাদপুরে দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে হজযাত্রীদের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে সুনামের সঙ্গে সেবা দিয়ে আসছে শাহ আমানত হজ্ব কাফেলা। প্রতিষ্ঠানটি নতুন ঠিকানায় অফিস উদ্বোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে এ উপলক্ষে ১১ দিনব্যাপী পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও সহীহ বুখারী শরীফ খতম শেষে দোয়া, মিলাদ, কিয়াম এবং বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। পরে অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে নতুন অফিসের উদ্বোধন করেন। উক্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শাহ আমানত হজ কাফেলার  ইকবাল হোসেন আলকাদেরী উপস্থাপনায় এতে বিশেষ আলোচনায় উপস্থিত হয়ে শুভকামনা জানান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর সম্মানিত চেয়ারম্যান আল্লামা কাজী মইনুদ্দিন আশরাফী,আল্লামা মুফতি সৈয়দ অসিউর রহমান, আল্লামা হাফেজ সোলায়মান আনসারী, আল্লামা হাফেজ আশরাফুজ্জামান আল কাদেরী, আল্লামা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, অধ্যক্ষ আল্লামা কাজী আব্দুল আলিম রেজভী,শাহ নূর মোহাম্মদ আল কাদেরী। এছাড়াও শাহ আমানত হজ কাফেলার সম্মানিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা ইয়াসিন মাহমুদ সিদ্দিকী, ডিরেক্টর আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, আলহাজ্ব এটিএম শাহজালাল, আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাঈম উদ্দিন ও আলহাজ্ব মোহাম্মদ সালাউদ্দিন সহ অসংখ্য মুহাদ্দিস, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, ইসলামী চিন্তাবিদ,সমাজকর্মী, সাংবাদিক,বিভিন্ন মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে শাহ আমানত হজ কাফেলা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস এর উত্তোরত্তর সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।  অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ২০২৭ ও ২০২৮ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। হজ পালনে আগ্রহী সকলকে দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য শাহ আমানত হজ কাফেলার পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া এখন থেকে ইকুইটি প্ল্যাটিনাম সেন্টার (লিফট-২), মুরাদপুর, চট্টগ্রাম (পুরাতন অফিসের বিপরীতে, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সংলগ্ন) অবস্থিত নতুন কার্যালয় থেকে শাহ আমানত হজ কাফেলার সকল সেবা গ্রহণ করা যাবে।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

হাঁটু পানিতে নিমজ্জিত ধনবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী নওয়াব ইনস্টিটিউশন খেলার মাঠ: খেলাধুলার বদলে চরছে গরু-ছাগল

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ধনবাড়ীতে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা: খাসপাড়া সড়ক এখন জনগণের ‘

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন shadhinbanglanews

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর খবর