Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ পাস

জাতীয় সংসদ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২৬ পাস করেছে। সংশোধনীগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং প্রস্তাবিত বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত বিধান প্রত্যাহার। সোমবার (২৯ জুন) অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।    

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি প্রকাশ্যে বা পাথর নিক্ষেপ করে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানায় না

নিজন্ব প্রতিবেদন: বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি প্রকাশ্যে বা পাথর নিক্ষেপ করে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানায় না। শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও তারা শরিয়া আইন থেকে দূরে থাকতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ আসামি গ্রেফতার করা। আসামি ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। বাকিটা আইন মন্ত্রণালয়ের কাজ। আজকে আইনমন্ত্রীও বলেছেন ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুত বিচার হবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘এখন অনেকের দাবি প্রকাশ্যে ধর্ষণের শাস্তির আইন। হ্যাঁ, জনগণ চাইলে একটি রাষ্ট্রে সব হতে পারে। এমনকি শরিয়া আইনেও ধর্ষকের শাস্তি হতে পারে। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি কি প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর চায়? চাইলে তারা বিবৃতি দিক বা সাংবাদিক সম্মেলন করে বলুক। এ বিষয়ে কনসেনসাসে আসলে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহজ হবে।’ বিএনপির এই নেতা দাবি করেন, ‘কিন্তু তারাও প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চায় না। কিন্তু সব দোষ বিএনপির!’ ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও যারা শরিয়া আইন থেকে দূরে থাকতে চায়, তারা ইসলামিক দল হতে পারেনা!’

মিডিয়া

সব খবর

জীবনের মোড় ঘোরানো সময়ে যারা পথ দেখিয়েছেন বোমান ইরানি

স্বাধীন বাংলা নিউজ: বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বোমান ইরানি সম্প্রতি কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘ফিকি ফ্লো’র অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে ফিল্মি কোনো আড্ডা ছিল না। ছিল নারী উদ্যোক্তা ও পেশাদার অনুষ্ঠান।   'ফিকি ফ্লো' হচ্ছে— ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নারী শাখা। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সর্বভারতীয় ফোরামটি নারী উদ্যোক্তা ও পেশাদারদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করা একটি সংগঠন। সেই অনুষ্ঠানে অভিনেতা ইরানি জানালেন তার জীবনযুদ্ধের কথা। মায়ের উৎসাহই তার জীবনের টার্নিং পয়েন্টের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেন। বোমান ইরানি বলেন, জীবনের মোড় ঘোরানো সময়ে যারা পথ দেখিয়েছেন, তারা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের কথা বলতে চাই। আমি ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বরে জন্মেছি। পরের বছরের মে মাসে আমার বাবা মারা যান। তাই আমি বাবাকে কোনো  দিন কাছ থেকে দেখিনি।  তিনি বলেন, আমার বড় হওয়া নারীদের ঘিরে। আমার মা, তিন বোন আর আত্মীয়দের মাঝেই আমার শৈশব কেটেছে। তারাই আমাকে বড় করে তুলেছেন। সে কারণে আমি নারীদের বোঝার এক ধরনের ক্ষমতা পেয়েছি।  এ অভিনেতা বলেন, ছোটবেলায় আমি খুব লাজুক ছিলাম। তোতলাতাম। কথা জড়িয়ে যেত। অনেকেই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন। ধীরে ধীরে আমি ভয় পেতে শুরু করি। মনে হতো আমি কথা বললে মানুষ আমাকে জাজ করবেন। একসময়ে আমি কথা বলাই বন্ধ করে দিই। কিন্তু পরে আমি গান গাইতে শুরু করি এবং মঞ্চে উঠি। সেখানেই আমি প্রথম নিজের ভেতরের আনন্দ খুঁজে পাই।  বোমান ইরানি বলেন, সেদিন আমার মা আমাকে মঞ্চে দেখে হেসেছিলেন। পরে বলেছিলেন— প্রথমবার আমাকে সত্যিকারের আনন্দে হাসতে দেখেছিলেন। মা বুঝেছিলেন আমি কোথায় স্বচ্ছন্দবোধ করি। তাই তিনি আমাকে গান, নাটক, বক্তৃতার ক্লাসে পাঠাতে শুরু করেন। প্রতিদিন আমাকে সিনেমা দেখতেও পাঠাতেন। ধীরে ধীরে আমি আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই। এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, আমি জীবনে অনেক দৌড়েছি। অনেকবার পড়ে গেছি। আবার উঠে দাঁড়িয়েছি। কোথাও আটকে থাকিনি। কোনো খাঁচার মধ্যে বন্দি ছিলাম না। জীবন দিয়ে বুঝেছি— টাকা বা সাফল্যের চেয়ে নৈতিকতার মূল্য অনেক বেশি। এ কথাই আমি আজও মানুষকে বলি।  তিনি বলেন, আমার সন্তানদের বলি— আমার নাতি-নাতনিদেরও বলি। জীবনে সাফল্য পাওয়ার কোনো শর্টকাট হয় না। কোনো সহজ পথ নেই। আমার কাছে জীবন মানে হলো ব্যর্থতা থেকে শেখা এবং ভুল শুধরে নেওয়া। কেউ আপনাকে সংশোধন করলে সেটা খারাপভাবে নেওয়া উচিত নয়। মানুষকে উৎসাহ দিন, তাদের শক্তি দিন, ভালোবাসা দিন। তাদের ভুল খুঁজে বের করবেন না। বোমান ইরানি বলেন, নিখিল শর্মার ‘লেটস টক’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলাম। সিনেমাটা কেউ দেখেননি। নিখিল কেন ফিল্মটা বানিয়েছিলেন জানি না। সেই ফিল্ম দেখে একদিন বিধু বিনোদ চোপড়া ফোন করেন। উনি আমাকে একটা ফিল্মের জন্য দুই লাখ টাকা অ্যাডভান্স দেন। আমি জানতে চাই— ফিল্মের বিষয় কী? কে কে আছেন? উনি বললেন— কিছু ঠিক হয়নি। কিন্তু পরে তুমি ব্যস্ত হয়ে পড়বে। তাই এই টাকাটা দিয়ে রাখলাম, যাতে পরে ডেট পাই।  এ অভিনেতা বলেন, সেই ফিল্মটাই ছিল ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’। রাজকুমার হিরানির সঙ্গেও প্রথম সাক্ষাৎ সেই ফিল্মের সূত্রেই। এই ফিল্মে সব অভিনেতা পরিবর্তিত হয়েছেন। শুধু আমার কাস্টিং প্রথম থেকে ঠিক ছিল। সঞ্জয় দত্তের প্রথমে জিমি শেরগিলের চরিত্রটা করার কথা ছিল। আর শাহরুখ খানের মুন্নাভাইয়ের চরিত্রটা। শাহরুখ সেই সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নায়ক-নায়িকা বদলে যায় সিনেমার। বোমান ইরানি বলেন, আমি ছবি তুলতে খুব পছন্দ করি। এ কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না। অনেক টাকা দিয়ে ফটোগ্রাফির সরঞ্জাম কিনে ফেলেছিলাম। কিন্তু হাতে কোনো কাজ ছিল না। শেষে অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের টিমের তরফ থেকে কল পাই। ওর ফটোশুট করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাইনি। যে সময়ে আমি খুব স্ট্রাগল করেছিলাম, একটি বিদেশি পত্রিকা আমার ছবি ছাপার জন্য ৯০০ ডলার দিত। যতবার রি-প্রিন্ট করত, ততবার ওই পরিমাণ টাকা দিত। আমাকে তারা কোনো দিন দেখেননি। আমার ছবি ছাপলে জানতেও পারব না। কিন্তু তবু সেই পত্রিকা প্রতিবার টাকা দিত। তাতে আমি শিখেছিলাম নৈতিকতা কতটা জরুরি।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।   তিনি আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর আগে এ পৃথিবীতে যারা এসেছিলেন তারা পৃথিবীটাকে আমাদের জন্য সুন্দর করে রেখে গেছেন বলেই আমরা উপভোগ করতে পারছি।   তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের বড় দায়িত্ব হলো আগামী দিনে যারা এই পৃথিবীতে আসবে তাদের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী, সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া জন্য কাজ করা।   মন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেদেরকে সেই কাজে নিয়োজিত করেছি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।   তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর, অধিকার ও বাকস্বাধীনতার দেশ। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। আমাদের এবারের লক্ষ্য হবে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করা। এ জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। দেশের কম বেশি ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড যদি আমরা শক্ত করতে পারি তাহলে বাকি ৩০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড এমনিতেই শক্ত হয়ে যাবে। অর্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির চূড়ান্ত হিসাব শেষ পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যেই নিহিত। মানুষ যত অর্থ-সম্পদই অর্জন করুক না কেন, ক্ষুধা নিবারণই জীবনের মৌলিক সত্য। খাদ্য উৎপাদন, মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।   পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি, খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

অপরাধ

সব খবর

পটিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তিনজন গ্রেপ্তার:

পটিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তিনজন  গ্রেপ্তার সেলিম চৌধুরী পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:                          চট্টগ্রামের পটিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও চুরির মামলায় ১জন ও থানা এলাকায় অপরাধ সংঘটনের চেষ্টাকালে ২জন আসামীসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। একইদিনে পটিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৯০০ লিটার চোলাই মদসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।    ডাকাতির প্রস্তুতি ও চুরির মামলার আসামীরা হলো মোঃ আবদুল আজিজ প্রকাশ রাসেল প্রকাশ বাচা (৩৫)। সে উপজেলার কোলাগাঁও ইউপির বানিগ্রামের জিন্নাহ মিয়ার পুত্র। অন্যদিকে উপজেলার হাইদগাঁও সাতগাছিয়া মাজার শরীফ রোড এলাকায় অপরাধ সংঘটনের চেষ্টাকালে মো. রাসেল উদ্দিন (৩৩) ও মো. এনামুল হক হৃদয় (২২) কে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।  পৃথক অভিযানে পুলিশ ৯০০ লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদসহ মাদক ব্যবসায়ী আরব মিয়া (৫৫) কে গ্রেপ্তার করে। সে উপজেলার ছনহরা ইউপির ৯নং ওয়ার্ড, বরিয়া মুকতুল হোসেন এর বাড়ীর মৃত মুকতুল হোসেন এর পুত্র। অভিযানকালে অন্য দুই আসামী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ সময় ঘটনায় জড়িত পলাতক মাদক ব্যবসায়ীরা হলো মো. আরাফাত হোসেন (২৬) সহ আরোও একজন।  পটিয়া থানার  এসআই ক্য লাহ্চিং মারমা ও এসআই মো. কামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে চলন্ত কাভার্ডভ্যান থেকে চুরি মামলার ঘটনায় জড়িত আসামী মো. আবদুল আজিজ প্রকাশ রাসেল প্রকাশ বাচা (৩৫ কে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদকদ্রব্য আইনে ৯টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানান।   এদিকে পৃথক অভিযানে পটিয়া থানা এলাকায় রাত্রিকালীন সিয়েরা ডিউটিতে নিয়োজি এসআই সমীর ভট্টাচাযর্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় অফিসার এএসআই নূর মোহাম্মদ শাহাদাত, এএসআই আতাউর রহমান এবং ফোর্সের সহায়তায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় আরব মিয়ার পাকা বসত ঘরের পিছনে লাগানো আসামীর মালিকানাধীন টিনশেড ঘর হতে ৯০০ লিটার তৈশীয় তৈরী চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী আরব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।  এ বিষয়ে পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক জানান, ধৃত আসামীদের পৃথক মামলার রুজুর মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের  অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে ওসি জিয়াউল হক জানান।      

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

বোকারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।

মোহাম্মদ আরমান মিয়া , সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট স্বাধীন বাংলা নিউজ:  বুখারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।  বক্তা চেঙ্গিস খানের বুখারা বিজয়ের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে বর্তমান সময়ের সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং মুসলিম বিশ্বের পরিস্থিতির তুলনা করেছেন। ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চেঙ্গিস খান ও বুখারা।  * চেঙ্গিস খান যখন বুখারা জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার আলেমদের (ধর্মীয় পণ্ডিত) একটি মসজিদে একত্রিত করতে বলেন।  * তিনি ঘোড়ায় চড়ে সেই মসজিদে প্রবেশ করেন এবং আলেমদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেন।  * প্রশ্নটি ছিল: **"তোমরা তোমাদের রবের সাথে এমন কী অবাধ্যতা করেছ যে, তিনি আমাকে তোমাদের ওপর আযাব (শাস্তি) হিসেবে পাঠিয়েছেন?"**  * বক্তা উল্লেখ করেন যে, সেই সময় বুখারার আলেম ও মানুষরা কুরআন-সুন্নাহ এবং নবীর আদর্শ ছেড়ে গ্রিক দর্শনের মতো বিজাতীয় চিন্তাধারায় ডুবে গিয়েছিলেন, যা তাদের পতনের কারণ হয়েছিল। ২. বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তুলনা (UAE ও দুবাই) বক্তা এই ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবি) এবং মুসলিম বিশ্বের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করেছেন:  * **ধর্মীয় পরিবর্তন:** তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রায় দুই দশক আগে থেকেই সেখানে ধর্মীয় বই ও পাঠ্যক্রম থেকে কুরআন ও হাদীসের সেই অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে যা ইহুদিদের শত্রুতা সম্পর্কে সতর্ক করে।  * **সম্পর্ক ও আদর্শ:** কুরআনের নির্দেশের বিপরীতে ইহুদিদের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব এবং তাদের 'ধর্মীয় ভাই' বা 'কাজিন' হিসেবে গ্রহণ করার প্রচার চালানো হচ্ছে।  * **ইসলামী বিধি-বিধানের লঙ্ঘন:** রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আরব উপদ্বীপে মন্দির এবং সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) নির্মাণ করা হয়েছে।  ৩. বক্তার মূল বার্তা: বক্তা বলতে চেয়েছেন যে, যখনই মুসলিম জাতি তাদের মূল ধর্মীয় আদর্শ ও আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ শুরু করে, তখনই তাদের ওপর বিপর্যয় নেমে আসে। তিনি সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা ও সংঘাতকে (যেমন ইরান-ইসরায়েল বা আঞ্চলিক অস্থিরতা) আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরণের সতর্কবার্তা বা শাস্তি হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। **সারসংক্ষেপ:** মূলত মুসলিম উম্মাহকে তাদের ধর্মীয় মূলনীতির দিকে ফিরে আসার এবং বিজাতীয় আদর্শ বর্জন করার একটি কড়া আহ্বান।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

পটিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তিনজন গ্রেপ্তার:

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ধনবাড়ীতে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা: খাসপাড়া সড়ক এখন জনগণের ‘

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন shadhinbanglanews

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর খবর