Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

প্রশাসনকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং তাদের কল্যাণে একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সরকারের ব্যক্তিগত ডিভাইস নয়, বরং জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।   তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার দীর্ঘদিনের প্রবণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।   তিনি বলেন, ‘জনগণের সম্মিলিত মতামতই রাষ্ট্রকে পরিচালিত করে। একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই ইচ্ছাকে জনকল্যাণমূলক কাজে রূপান্তর করা।’ প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কর্মকর্তাদের বিচ্ছিন্নভাবে থাকা সক্ষমতাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কেন্দ্রীভূত করতে হবে। বিজ্ঞানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ছড়িয়ে থাকা আলোকে যেমন লেজারে রূপান্তর করলে তার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায়, তেমনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত দক্ষতা ও আন্তরিকতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে সেটি আরও উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে।’ তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘কালেক্টিভ নলেজ বা সম্মিলিত জ্ঞানের চেয়ে বড় কোনো জ্ঞান নেই।’ মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরও বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে প্রতিটি কাজ সংবিধান ও বিদ্যমান বিধিবিধানের আলোকে করতে হবে আইনের শাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সংবিধানই সকল আইন ও বিধির মূল ভিত্তি। এছাড়া, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনে স্বচ্ছতা না থাকলে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক সকল স্তরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করতে হবে।   প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক দূরত্ব কমিয়ে কর্মকর্তাদের জন্য একটি মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক কর্মপরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি কর্মকর্তাদের সৃজনশীল মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন। সভায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

টাংগাইল সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ কারীদের নাম।

টাঙ্গাইলে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তারা হলেন,      (১) লাবনী সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৪/কালিহাতী উপজেলার) তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মিডিয়া সেলে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় সারাদেশে তার ব্যাপক পরিচিত লাভ করেছেন সেই সঙ্গে টাঙ্গাইল জেলাতেও রয়েছে তাকে নিয়ে জনগণের ইতিবাচক আলোচনা  নারী নেত্রীদের মধ্যে আরও আছেন   ( ২) রাহেলা জাকির,জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য (৩) আফরোজা খন্দকার (নিপু), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হল ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক - (৪)নিলুফা ইয়াসমিন খান,জেলা মহিলা দলের সভাপতি-  ( ৫) রক্সি মেহেদী ও (৬) মমতাজ করিম।

মিডিয়া

সব খবর

বগুড়ায় তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে আলোচনা সভা।

বগুড়ায় তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে আলোচনা সভা। মোঃ শামছুল আলম লিটন ব্যুরো চীফ উত্তরবঙ্গ:বগুড়া শহরে তরুণ সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বগুড়া শহরের হোটেল নাজ গার্ডেনে সাংবাদিকতার একাল-সেকাল শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, বগুড়ার সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, বগুড়ায় প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের একটি শাখা স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। সাংবাদিকতা একটি সম্মানজনক পেশা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর পূর্ববর্তী পেশাগত জীবনের প্রসঙ্গ টেনে রুমন বলেন, তিনি একসময় সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা সাংবাদিকতার সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের পরিচায়ক। বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু। এ সময় সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বগুড়ার সভাপতি প্রকৌশলী মো. সাহাবুদ্দিন সৈকত এবং স্টার নিউজের নিউজ এডিটর সুমন তালুকদার। অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশত তরুণ সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহন আকন্দ

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।   তিনি আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর আগে এ পৃথিবীতে যারা এসেছিলেন তারা পৃথিবীটাকে আমাদের জন্য সুন্দর করে রেখে গেছেন বলেই আমরা উপভোগ করতে পারছি।   তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের বড় দায়িত্ব হলো আগামী দিনে যারা এই পৃথিবীতে আসবে তাদের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী, সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া জন্য কাজ করা।   মন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেদেরকে সেই কাজে নিয়োজিত করেছি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।   তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর, অধিকার ও বাকস্বাধীনতার দেশ। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। আমাদের এবারের লক্ষ্য হবে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করা। এ জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। দেশের কম বেশি ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড যদি আমরা শক্ত করতে পারি তাহলে বাকি ৩০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড এমনিতেই শক্ত হয়ে যাবে। অর্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির চূড়ান্ত হিসাব শেষ পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যেই নিহিত। মানুষ যত অর্থ-সম্পদই অর্জন করুক না কেন, ক্ষুধা নিবারণই জীবনের মৌলিক সত্য। খাদ্য উৎপাদন, মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।   পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি, খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

অপরাধ

সব খবর

বাগেরহাটের চিতলমারিতে শিশু হত্যার মামলায় সৎ মাকে গ্রেপ্তার হয়েছে রেব ৩ ও ৬ এর যৌথ অভিযানে।

*বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানাধীন এলাকায় ৩ বছরের শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামী সৎমা আয়েশা আক্তার (২২)’কে ঢাকা জেলার আদাবর থানাধীন এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩ ও র‍্যাব-৬ এর যৌথ আভিযানিক দল|*  ১| র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে| সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি খুন, চাঁদাবাজি, চুরি, কিশোর গ্যাং, ডাকাতি ও ছিনতাই চক্রের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের জন্য র‍্যাবের জোরালো তৎপরতা অব্যাহত আছে| এছাড়াও বিভিন্ন হত্যাকান্ডের দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকা বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনপূর্বক হত্যাকারীদেরকে গ্রেফতার করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে র‍্যাব সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে| ২| এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৩ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ১৬ মে ২০২৬ তারিখ ২০১৫ ঘটিকার সময় ঢাকা মহানগরীর আদাবর থানাধীন ঢাকা উদ্যান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানাধীন এলাকায় সৎমা কর্তৃক ৩ বছরের শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামী আয়েশা আক্তার (২২), পিতাঃ মুরাদ হোসেন শেখ, সাং-চর ডাকাতিয়া, থানাঃ চিতলমারী, জেলাঃ বাগেরহাট’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়| ৩| মামলার এজাহার ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ধৃত আসামি আয়েশা আক্তার (২২) ভিকটিম খাদিজা আক্তার (৩) এর সৎমা| ভিকটিম খাদিজা আক্তার এর মায়ের সাথে তার বাবার বনিবনা না হওয়ায় ভিকটিম এর বাবা ও মা এর ডিভোর্স হয়| পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং ভিকটিম খাদিজা তার বাবার সাথেই থাকতে শুরু করে| ভিকটিমের সৎমা ভিকটিমের বাবার সাথে বিবাহের পর ধৃত আসামি ভিকটিমদের বাড়িতে এসে ভিকটিমকে দেখতে পেয়ে বিরক্ত বোধ করে| ধৃত আসামি ভিকটিমকে সর্বদা গালমন্দ করতো| ভিকটিমের গায়ের রং কালো বিধায় ধৃত আসামি ভিকটিমকে নানা সময় গালিগালাজ করতো এবং ভিকটিমকে অন্য কোথাও চলে যেতে বলে| ভিকটিম অন্য কোথাও চলে না গেলে ধৃত আসামী ভিকটিমকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিবে বলে জানায়| পরবর্তীতে গত ০৪/০৯/২০২৪ তারিখ ভিকটিমের দাদা-দাদী ও বাবা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ির বাহিরে চলে গেলে ধৃত আসামি ভিকটিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে খাটের নিচে রেখে দেয়| ভিকটিমের বাবা তুহিন শেখ মাঠের কাজ শেষ করে আনুমানিক ১১০০ ঘটিকার সময় বাড়িতে এসে মেয়েকে খোঁজাখুজি শুরু করলে ধৃত আসামি জানায় মেয়ে কোথায় গিয়েছে সে বলতে পারে না| খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ধৃত আসামি আয়েশা ভিকটিমকে বাড়ির পাশের্^র পুকুরে খুঁজতে বলে| পুকুরে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে ঘরের মধ্যে খুঁজতে গিয়ে দেখে ভিকটিম খাদিজা অচেতন অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে| পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে জীবিত ভেবে চিতলমারী মা ক্লিনিকে নিলে ভিকটিমকে ডাক্তার দেখে চিতলমারী সরকারী হাসপাতালে নিতে বলে| ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে ১৪২৫ ঘটিকায় চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায় তাদের বাচ্চা অনেক আগেই মারা গেছে| উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয় (মামলা নং-০২, তারিখ ০৪/০৯/২০২৪)| উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৬ এর অধিযাচনের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল কর্তৃক ধৃত আসামি আয়েশা আক্তারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়| ৪| ধৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে| মোঃ মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  ইন্ট এন্ড মিডিয়া অফিসার  পক্ষে পরিচালক

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

বোকারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।

মোহাম্মদ আরমান মিয়া , সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট স্বাধীন বাংলা নিউজ:  বুখারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।  বক্তা চেঙ্গিস খানের বুখারা বিজয়ের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে বর্তমান সময়ের সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং মুসলিম বিশ্বের পরিস্থিতির তুলনা করেছেন। ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চেঙ্গিস খান ও বুখারা।  * চেঙ্গিস খান যখন বুখারা জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার আলেমদের (ধর্মীয় পণ্ডিত) একটি মসজিদে একত্রিত করতে বলেন।  * তিনি ঘোড়ায় চড়ে সেই মসজিদে প্রবেশ করেন এবং আলেমদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেন।  * প্রশ্নটি ছিল: **"তোমরা তোমাদের রবের সাথে এমন কী অবাধ্যতা করেছ যে, তিনি আমাকে তোমাদের ওপর আযাব (শাস্তি) হিসেবে পাঠিয়েছেন?"**  * বক্তা উল্লেখ করেন যে, সেই সময় বুখারার আলেম ও মানুষরা কুরআন-সুন্নাহ এবং নবীর আদর্শ ছেড়ে গ্রিক দর্শনের মতো বিজাতীয় চিন্তাধারায় ডুবে গিয়েছিলেন, যা তাদের পতনের কারণ হয়েছিল। ২. বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তুলনা (UAE ও দুবাই) বক্তা এই ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবি) এবং মুসলিম বিশ্বের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করেছেন:  * **ধর্মীয় পরিবর্তন:** তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রায় দুই দশক আগে থেকেই সেখানে ধর্মীয় বই ও পাঠ্যক্রম থেকে কুরআন ও হাদীসের সেই অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে যা ইহুদিদের শত্রুতা সম্পর্কে সতর্ক করে।  * **সম্পর্ক ও আদর্শ:** কুরআনের নির্দেশের বিপরীতে ইহুদিদের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব এবং তাদের 'ধর্মীয় ভাই' বা 'কাজিন' হিসেবে গ্রহণ করার প্রচার চালানো হচ্ছে।  * **ইসলামী বিধি-বিধানের লঙ্ঘন:** রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আরব উপদ্বীপে মন্দির এবং সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) নির্মাণ করা হয়েছে।  ৩. বক্তার মূল বার্তা: বক্তা বলতে চেয়েছেন যে, যখনই মুসলিম জাতি তাদের মূল ধর্মীয় আদর্শ ও আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ শুরু করে, তখনই তাদের ওপর বিপর্যয় নেমে আসে। তিনি সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা ও সংঘাতকে (যেমন ইরান-ইসরায়েল বা আঞ্চলিক অস্থিরতা) আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরণের সতর্কবার্তা বা শাস্তি হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। **সারসংক্ষেপ:** মূলত মুসলিম উম্মাহকে তাদের ধর্মীয় মূলনীতির দিকে ফিরে আসার এবং বিজাতীয় আদর্শ বর্জন করার একটি কড়া আহ্বান।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

১৩৫ টাকার জমির জন্য ৬৫ বছর লড়াই, অবশেষে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে দখল হস্তান্তর

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ভিডিও লোড করতে সমস্যা হয়েছে। API Key বা Channel ID সঠিক কিনা যাচাই করুন।