Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

সরকার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ স্টার্টআপ তহবিল গঠন করেছে : মাহবুব আনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার শেরাটন হোটেলের গ্র্যান্ড হলরুমে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে উদ্ভাবনভিত্তিক ইকোসিস্টেম উন্নয়ন’ শীর্ষক নেটওয়ার্কিং সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর পর্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শুধু প্রচলিত পণ্য ও সেবার উৎপাদন বাড়ালেই বৈশ্বিক বাজারে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব হবে না। এ জন্য উচ্চ মূল্যসংযোজনী শিল্পের বিকাশ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও তরুণ উদ্যোক্তারা নিয়মিত নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন। তবে প্রযুক্তি হস্তান্তর, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক উদ্ভাবন সফলভাবে ব্যবসায়িক পর্যায়ে যেতে পারছে না। এই বিচ্ছিন্নতা দূর করতে সরকার উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও সরকারি সংস্থাগুলোকে যুক্ত করে একটি ‘এন্ড-টু-এন্ড ইনোভেশন ইকোসিস্টেম’ গড়ে তুলছে। উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, কেবল সরকারের পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত কাঠামো ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে। তবে উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ, বিনিয়োগ এবং নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে প্রধান ভূমিকা বেসরকারি খাতকেই নিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদেরও অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সিলেট, রাজশাহী ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত হাই-টেক ও ইনোভেশন পার্কগুলোতে আধুনিক অবকাঠামো ও জমি প্রস্তুত রয়েছে। এসব পার্কে নতুন শিল্প স্থাপনে দেশীয় উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসা উচিত। এদিকে, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’। মেলা ও সংশ্লিষ্ট আয়োজনে উদ্ভাবক, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, স্টার্টআপ, শিল্প খাত, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর লক্ষ্য হলো উদ্ভাবক, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, স্টার্টআপ, শিল্প খাত, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণ ত্বরান্বিত করা, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং জাতীয় উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, ব্যবসায়ী নেতা তপন চৌধুরী, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে চট্টগ্রামে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে নগরীর জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ মাঠ থেকে র‌্যালিটি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে জিইসি মোড় এসে শেষ হয়। র‌্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দল অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র নির্মাণ ও মেরামতে যে ৩১ দফা দাবি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবক দল কে আরও বেশী সংগ্রাম করতে হবে। যেকোন অন্যায়-অপকর্ম থেকে নিজেদের ও সংগঠনকে মুক্ত রাখতে হবে। সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের আন্দোলন ছিল মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এখন সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দায়িত্ব আমাদের সামনে এসেছে। রাষ্ট্র গঠনের এই আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোনো ঠাঁই নেই। তাই স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সৎ ও ভালো নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে। জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন বুলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব ইঞ্জি. জমির উদ্দিন নাহিদ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মঈনুদ্দিন রাশেদ, সিরাজুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম টুটুল, এম. আবু বক্কর রাজু, রাজিম উদ্দিন আকন্দ, রিফাত হোসেন শাকিল, দিদার হোসেন, হারুনুর রশিদ, মো. আলমগীর, আব্দুল আহাদ রিপন, কামরুল হাসান, এন মোহাম্মদ রিমন, আরিফুর রহমান চৌধুরী, ইফতেখার উদ্দিন নিবলু প্রমুখ। মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের শত শত নেতাকর্মী ব্যানার, ফ্যাস্টুন ও ঢাকঢোল নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে। এ সময় তাদের স্লোগানে স্লোগানে র‌্যালিটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

মিডিয়া

সব খবর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মহাসচিব, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সাবেক আহবায়ক ও চট্টগ্রাম ৯ আসন ( বাকলিয়া-কোতোয়ালি- চকবাজার ও ডবলমুরিং আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু সুফিয়ান। অদ্য ১৩ই আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।  এ সময় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শারীরিক সুস্থতা কামনা করেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানান। 

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে টেম্পারিং করা বিষাক্ত মদ পান করে এক সাংবাদিক-সহ দুইজনের মৃত্যু

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে টেম্পারিং করা বিষাক্ত মদ পান করে এক সাংবাদিকসহ দুইজনের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পেছনে পরিকল্পিত হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার-এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি বেলাল হোসেন, মোস্তাফিজ, কাউসারসহ কয়েকজন পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে যান। সেখানে তারা স্থানীয় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আলাউদ্দিন এর প্রধান সহকারী আরিফ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে "ভ্যালেন্টাইন হুইস্কি" নামে ২ টি বিদেশি মদের বোতল কেনেন।পরে তারা পতেঙ্গা হোটেল সংলগ্ন একটি আবাসিক হোটেলে গিয়ে ওই মদ পান করেন। জানা যায় তারা যে মদটি পান করেছিলেন সেটি ছিল টেম্পারিং করা এবং বিষাক্ত উপাদান মিশ্রিত। মদ পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে নিজ নিজ বাসায় ফিরে গেলেও শুক্রবার সকালে তাদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে বেলাল হোসেন, মোস্তাফিজ এবং কাউসারকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিক বেলাল হোসেন মারা যান। একই দিন সন্ধ্যায় মারা যান মোস্তাফিজ প্রকাশ লালচাঁদ। অপরদিকে কাউসার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে সাংবাদিক বেলাল হোসেনের পেশাগত কর্মকাণ্ড। অনুসন্ধানে একাধিক সূত্র দাবি করেছে, পতেঙ্গা এলাকার মাদক সম্রাট আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সংবাদ প্রকাশ করায় তার সঙ্গে বেলাল হোসেনের বিরোধ চলছিল।এছাড়া সম্প্রতি পতেঙ্গার সীবার্ড রেস্টুরেন্টে ভেজাল খাবার পরিবেশনের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন বেলাল হোসেন। ওই রেস্টুরেন্টের সঙ্গে কৃষকদল নেতা নাসিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। পরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সেখানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলে নাসিরের সঙ্গেও বেলাল হোসেনের বিরোধ সৃষ্টি হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মাদক ব্যবসা ও সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন এবং নাসিরের সঙ্গে চলমান বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে বিষাক্ত বা টেম্পারিং করা মদ সরবরাহ করা হয়ে থাকতে পারে এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন, সহকর্মী সাংবাদিক এবং স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি শুধুমাত্র বিষাক্ত মদপানে মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যার সম্ভাবনাও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে হবে। তারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

আ'লা হযরত ইমাম আহমদ রেজা খান বেরলভী (রহ.)-এর ১০৮তম উ'ফাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের করমপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭তম ওরশে আ'লা হযরত ও আজিমুশান মিলাদ মাহফিল

মোহাম্মদ রবিউল হোসেন : চট্টগ্রাম / আ'লা হযরত ইমাম আহমদ রেজা খান বেরলভী রাহামাতুল্লাহ আলাইহি'র ১০৮ তম উফাত বার্ষিকী উপলক্ষে সপ্তমবারের মতো ওরশে আ'লা হযরত ও আজিমুশান মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ১৩ই আগস্ট বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব নামাজের পর নাজের কমিশনার এর মাঠ প্রাঙ্গনে আ'লা হযরত স্মৃতি সংসদ কমিটি চাঁদগাও,করমপাড়া,চট্টগ্রাম  এর আয়োজনে খরমপাড়া জামে মসজিদ এর সম্মানিত খতিব মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম নঈমীর সভাপতিত্বে উক্ত মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খতিবের হাট কাদেরিয়া তৈয়বিয়া জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব  হাফেজ ক্বারী মাওলানা মুফতি গোলাম কিবরিয়া।  এতে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  রাউজান সুলতানপুর নুর কাইয়ুম জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এম সাইফুল ইসলাম নেজামী।  উক্ত মাহফিলে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নাতে রাসুল (সা.) ও তার জীবনদর্শন, সুফিবাদের সংস্কার ও ইসলামে তাঁর খেদমত নিয়ে উলামায়ে কেরাম আলোচনা করেন। মাহফিল শেষে আখেরী মোনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয় এবং উপস্থিত মুসল্লীদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন  মোহাম্মদ  দিনার, মোহাম্মদ  হানিফ,   মোহাম্মদ  ইয়ামিন খান বিজয় ,  মোহাম্মদ  ইমতিয়াজ,   টিটু,  হদয়  ও এলাকাবাসি সহ আগত মুসল্লীবৃন্দ।   

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

সরকার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ স্টার্টআপ তহবিল গঠন করেছে : মাহবুব আনাম

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ভিডিও লোড করতে সমস্যা হয়েছে। API Key বা Channel ID সঠিক কিনা যাচাই করুন।