Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

ঔষধের ফাঁদ! আপনি কি প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেটের শিকার হচ্ছেন না তো?

ওষুধের ফাঁদ: আপনি কি 'প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেড'-এর শিকার?  অসুস্থ হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই সুস্থ হওয়ার আশায়। কিন্তু কখনো কি খেয়াল করেছেন, একটি রোগের ওষুধ শুরু করার পর একে একে আরও নতুন নতুন শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং ওষুধের সংখ্যাও বাড়ছে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় 'প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেড' (Prescribing Cascade) বা ওষুধের এক চক্রাকার ফাঁদ। কিভাবে কাজ করে এই ওষুধের চক্র? এই প্রক্রিয়ায় একটি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকে (Side Effect) নতুন কোনো রোগ হিসেবে ভুল করা হয় এবং সেটি নিরাময়ের জন্য আরেকটি নতুন ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয়। উদাহরণস্বরূপ:  ধাপ ১:জয়েন্টের ব্যথার জন্য আপনি হয়তো NSAID বা পেইনকিলার খেলেন।  ধাপ ২:এই পেইনকিলার আপনার পাকস্থলীর আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে শুরু হয় গ্যাস্ট্রিক বা পেটে ব্যথা। ডাক্তার তখন আপনাকে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ হিসেবে PPI (Proton Pump Inhibitor)দিলেন।  ধাপ ৩: দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ আপনার শরীরের ম্যাগনেসিয়াম শোষণ কমিয়ে দেয়, যা রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে দিতে পারে। এর জন্য দেওয়া হয় উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ।  ধাপ ৪:উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে শরীরে পানি জমতে পারে বা পা ফুলে যেতে পারে। এই পানি বের করার জন্য ডাক্তার তখন Diuretic বা মূত্রবর্ধক ওষুধ দেন।  ধাপ ৫:ঘন ঘন প্রস্রাব বা ওভারঅ্যাক্টিভ ব্লাডারের সমস্যা সামলাতে যুক্ত হয় পঞ্চম আরেকটি ওষুধ। এভাবেই একটি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঢাকতে গিয়ে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একটি "জীবন্ত কেমিস্ট্রি ল্যাব"।  সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন: অপ্রয়োজনীয় ওষুধের এই চক্র থেকে বাঁচতে আমাদের কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি:  1. ডাক্তারের সাথে কথা বলুন:নতুন কোনো সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারকে জানান যে আপনি বর্তমানে কী কী ওষুধ খাচ্ছেন।  2. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানুন: যেকোনো ওষুধ দীর্ঘমেয়াদে সেবনের আগে এর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখুন।  3. নিজের ওষুধের তালিকা পর্যবেক্ষণ করুন:  আপনি যদি ৫-৭টির বেশি ওষুধ নিয়মিত সেবন করেন, তবে একবার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন যে এর মধ্যে কোনোটি অন্যটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেওয়া হয়েছে কি না। নিজের শরীর সম্পর্কে সচেতন থাকাই সুস্থ থাকার প্রথম ধাপ। ওষুধের এই ফাঁদ সম্পর্কে নিজে জানুন এবং অন্যকেও সতর্ক করুন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর ঘিরে প্রস্তুতি সভা নিরাপত্তার সর্বোচ্চ গুরুত্ব।

প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর ঘিরে প্রস্তুতি সভা, নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব। মোঃ শামছুল আলম লিটন ব্যুরো চীফ উত্তরবঙ্গ:আসন্ন প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া আগমন উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০টায় বগুড়া সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, গাবতলী -৭ আসনের সংসদ সদস্য মোর্শেদ মিল্টন উপস্থিত ছিলেন এছাড়া ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, সাবেক সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা, বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ,সহ-সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, অ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম, কে. এম. খাইরুল বাশার, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।এছাড়া জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং টেলিভিশন ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন, বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন এবং বাঘবাড়ি এলাকায় কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বাঘবাড়ির শহীদ জিয়া স্মৃতিবিজড়িত জন্মভূমি পরিদর্শনের কথাও রয়েছে। সফরের নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী পরিদর্শন শেষে পুনরায় সার্কিট হাউসে ফেরা হবে। আতিকুর রহমান রুমন জানান, সফর ঘিরে প্রস্তুতির বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেবল নির্ধারিত স্থানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আগমন সফল করতে সাংবাদিক, স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী ২০ তারিখের এই সফর সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হবে।   ১

মিডিয়া

সব খবর

বগুড়ায় তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে আলোচনা সভা।

বগুড়ায় তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে আলোচনা সভা। মোঃ শামছুল আলম লিটন ব্যুরো চীফ উত্তরবঙ্গ:বগুড়া শহরে তরুণ সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বগুড়া শহরের হোটেল নাজ গার্ডেনে সাংবাদিকতার একাল-সেকাল শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, বগুড়ার সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, বগুড়ায় প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের একটি শাখা স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। সাংবাদিকতা একটি সম্মানজনক পেশা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর পূর্ববর্তী পেশাগত জীবনের প্রসঙ্গ টেনে রুমন বলেন, তিনি একসময় সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা সাংবাদিকতার সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের পরিচায়ক। বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু। এ সময় সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বগুড়ার সভাপতি প্রকৌশলী মো. সাহাবুদ্দিন সৈকত এবং স্টার নিউজের নিউজ এডিটর সুমন তালুকদার। অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশত তরুণ সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহন আকন্দ

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।   তিনি আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর আগে এ পৃথিবীতে যারা এসেছিলেন তারা পৃথিবীটাকে আমাদের জন্য সুন্দর করে রেখে গেছেন বলেই আমরা উপভোগ করতে পারছি।   তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের বড় দায়িত্ব হলো আগামী দিনে যারা এই পৃথিবীতে আসবে তাদের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী, সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া জন্য কাজ করা।   মন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেদেরকে সেই কাজে নিয়োজিত করেছি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।   তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর, অধিকার ও বাকস্বাধীনতার দেশ। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। আমাদের এবারের লক্ষ্য হবে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করা। এ জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। দেশের কম বেশি ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড যদি আমরা শক্ত করতে পারি তাহলে বাকি ৩০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড এমনিতেই শক্ত হয়ে যাবে। অর্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির চূড়ান্ত হিসাব শেষ পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যেই নিহিত। মানুষ যত অর্থ-সম্পদই অর্জন করুক না কেন, ক্ষুধা নিবারণই জীবনের মৌলিক সত্য। খাদ্য উৎপাদন, মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।   পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি, খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।

অপরাধ

সব খবর

শেরপুরের ঝিনাইগাতি তে জনতার হাতে চোরাইকৃত অটো ভাঙচুরের সময় চারজন আটক।

ঝিনাইগাতীতে জনতার হাতে চোরাইকৃত অটো ভাঙচুরের সময় ৪জন আটক গোলাম রব্বানী-টিটু:(শেরপুর)প্রতিরিনধি ঃ শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া নামক স্থানে গতকাল শনিবার চোরাইকৃত অটো ভাঙচুরের সময় এক পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে জনতা ৪জনকে আটক করে | পরে এলাকাবাসী ঝিনাইগাতী থানায় খবর দিলে এস আই আব্দুল ওহাব এর নেতৃত্বে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে রাতেই হাসপাতালে ¯^াস্থ্য পরীক্ষা করে থানায় নিয়ে যায় | আজ সকালে এ ব্যাপারে ৫জনকে নামীয় আসামি ও অজ্ঞাত নামা অটো ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয় মামলা নং ০৩ তাং১২/৪/২০২৬ইং | এজাহারভূক্ত ৪ জনকে আজ শেরপুর কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে | হিটলার নামে অপর আসামী পলাতক রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে | মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল ওহাব জানায় চোরাইকৃত অটো ভাঙচুরের মালামালের তালিকা করে জব্দ করা হয়েছে | সচেতন মহল উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে অটো চোর সহ অসামাজিক কার্যকলাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে | তাদেরকে আইনের আওতায় ও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা না হলে সমাজে অ শান্তি বিরাজ করবে | এদের পিছনে কোন রাঘববোয়ালের হাত ও সেল্টার রয়েছে যার কারনে একের পর এক অপকর্ম করে সমাজকে ধবংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিচ্ছে বলে তথ্যের প্রয়োজনে রিমান্ড দাবি করেছেন | এ ব্যাপারে তদন্ত ওসি জানান অটো চোরের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে | তদন্ত চলছে এর পিছনে যারা জড়িত তাদেরকে সনাক্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে সিন্ডিকেট বাহির করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান | বার্তা প্রেরক গোলাম রববানী-টিটু শেরপুর প্রতিনিধি  

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

বোকারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।

মোহাম্মদ আরমান মিয়া , সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট স্বাধীন বাংলা নিউজ:  বুখারা বিজয় এবং আজকের মুসলিম বিশ্ব।  বক্তা চেঙ্গিস খানের বুখারা বিজয়ের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে বর্তমান সময়ের সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং মুসলিম বিশ্বের পরিস্থিতির তুলনা করেছেন। ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চেঙ্গিস খান ও বুখারা।  * চেঙ্গিস খান যখন বুখারা জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার আলেমদের (ধর্মীয় পণ্ডিত) একটি মসজিদে একত্রিত করতে বলেন।  * তিনি ঘোড়ায় চড়ে সেই মসজিদে প্রবেশ করেন এবং আলেমদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেন।  * প্রশ্নটি ছিল: **"তোমরা তোমাদের রবের সাথে এমন কী অবাধ্যতা করেছ যে, তিনি আমাকে তোমাদের ওপর আযাব (শাস্তি) হিসেবে পাঠিয়েছেন?"**  * বক্তা উল্লেখ করেন যে, সেই সময় বুখারার আলেম ও মানুষরা কুরআন-সুন্নাহ এবং নবীর আদর্শ ছেড়ে গ্রিক দর্শনের মতো বিজাতীয় চিন্তাধারায় ডুবে গিয়েছিলেন, যা তাদের পতনের কারণ হয়েছিল। ২. বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তুলনা (UAE ও দুবাই) বক্তা এই ঐতিহাসিক ঘটনার আলোকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবি) এবং মুসলিম বিশ্বের বর্তমান অবস্থার সমালোচনা করেছেন:  * **ধর্মীয় পরিবর্তন:** তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রায় দুই দশক আগে থেকেই সেখানে ধর্মীয় বই ও পাঠ্যক্রম থেকে কুরআন ও হাদীসের সেই অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে যা ইহুদিদের শত্রুতা সম্পর্কে সতর্ক করে।  * **সম্পর্ক ও আদর্শ:** কুরআনের নির্দেশের বিপরীতে ইহুদিদের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব এবং তাদের 'ধর্মীয় ভাই' বা 'কাজিন' হিসেবে গ্রহণ করার প্রচার চালানো হচ্ছে।  * **ইসলামী বিধি-বিধানের লঙ্ঘন:** রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আরব উপদ্বীপে মন্দির এবং সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়) নির্মাণ করা হয়েছে।  ৩. বক্তার মূল বার্তা: বক্তা বলতে চেয়েছেন যে, যখনই মুসলিম জাতি তাদের মূল ধর্মীয় আদর্শ ও আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ শুরু করে, তখনই তাদের ওপর বিপর্যয় নেমে আসে। তিনি সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা ও সংঘাতকে (যেমন ইরান-ইসরায়েল বা আঞ্চলিক অস্থিরতা) আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরণের সতর্কবার্তা বা শাস্তি হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। **সারসংক্ষেপ:** মূলত মুসলিম উম্মাহকে তাদের ধর্মীয় মূলনীতির দিকে ফিরে আসার এবং বিজাতীয় আদর্শ বর্জন করার একটি কড়া আহ্বান।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

ঔষধের ফাঁদ! আপনি কি প্রেসক্রাইবিং ক্যাসকেটের শিকার হচ্ছেন না তো?

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

মেট্রো রেল

দেশবরেণ্য আইনজীবী জনাব লুৎফর রহমান দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)

দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ।।

ময়মনসিংহ ,তে ,ঢাকার উদ্দেশ্যে, ঈদ পরবর্তী যাত্রা।

সরাসরি ভিডিও নিলাম।

এক জাক হরিণ।

শুভ বিবাহ, সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত।

#ময়মনসিংহ #অগ্রিম ঈদগাহের মাঠে।,সরাসরি সম্প্রচার