স্বাধীন বাংলা নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে...
Logo
বিজ্ঞাপন
ad for ad
শিরোনাম

লাইভ টিভি

জাতীয়

সব খবর

শেখ হাসিনা পালানোর ভিডিও প্রকাশ করা ফ্লাইট লেফটেন্যান্টেলর মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্ট :টিপু সুলতান স্বাধীন বাংলা নিউজ... নিখোঁজের একদিন পর ঢাকার তুরাগ নদ থেকে কে এম তাহসিন সাউরি (২৮) নামে বিমানবাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌপুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন। এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তাহসিন সাউরি বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

জনগণের আস্থা অর্জনে জনকল্যাণমূলক কাজে যুবদলকে এগিয়ে আসতে হবে: প্রশাসক ডা. শাহাদাত

জনগণের আস্থা অর্জনে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুবদলের নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের কল্যাণ করা। তাই দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব, নগরীর পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় যুবদলের নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ভ্যানগাড়ি ও রিকশা দাঁড় করানো এবং যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে যুবদলের নেতাকর্মীরা সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। যুবদলের সাংগঠনিক শক্তিকে জনকল্যাণমূলক কাজে কাজে লাগাতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, আমি একটি ক্লিন, গ্রিন, হেলদি ও সেফ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুবদলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবদলের নেতাকর্মীরা অতীতেও মানুষের পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবেন—এটাই প্রত্যাশা। অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে যুবদলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও নির্যাতনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, অনেক নেতাকর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁদের ত্যাগের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করতে হলে এখন দায়িত্বশীল আচরণ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে যেন দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রত্যেককে নিজের বিবেকের কাছে স্বচ্ছ থাকতে হবে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যাতে মহান আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। সততা, নৈতিকতা ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে পারলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন অর্জনে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করতে হবে। নগরীর সমস্যা সমাধান, নাগরিক দুর্ভোগ লাঘব এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যুবদলকে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন আবুল হাসেম বক্কর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদল চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী যুবদল চকবাজার থানার আহ্বায়ক মোহাম্মদ সেলিম এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সোহেল। এ সময় মহানগর ও ওয়ার্ড বিএনপি, মহিলা দল এবং যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

মিডিয়া

সব খবর

ইতালির চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও একবার বাংলাদেশের সিনেমার মুকুটে যুক্ত হলো নতুন এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন। ইতালির ঐতিহ্যবাহী লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের ২২তম আসরে ফিচার ফিল্ম কম্পিটিশন বিভাগে সেরা সিনেমার পুরস্কার জিনে নিয়েছে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইতালির লুকা শহরে এই আন্তর্জাতিক উৎসবের পর্দা উঠেছিল এবং উৎসবের সমাপনী দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসা এই উৎসবে বিশ্বমানের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্রগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয় বাংলাদেশি এই সিনেমাটিকে। বিশ্ব চলচ্চিত্রের এই মর্যাদাপূর্ণ আসরে সেরা নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে আবারও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিল দেশের চলচ্চিত্র শিল্প।এবারের আসরে মাস্টার ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আরও ১১টি প্রখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু আন্তর্জাতিক সিনেমার মধ্যে ছিল ‘ফার্স্ট ডেজ’, ‘সি সন্স’, ‘স্যালভেশন’, ‘সাপোর্টিং রোল’, ‘দ্য কোয়ায়েট বি-কিপার’ এবং ‘অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’-এর মতো প্রশংসিত সব কাজ। এই শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলোকে পেছনে ফেলে জুরি বোর্ডের নজর কেড়ে সেরার পুরস্কার নিজেদের করে নেয় ‘মাস্টার’। উৎসবের বিচারকমণ্ডলী তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় সিনেমাটির শৈল্পিক উৎকর্ষ ও গভীর বার্তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাদের মতে, একটি স্থানীয় প্রেক্ষাপটের গল্প ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিরাজমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সংকটকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা।চলচ্চিত্রটির গল্প ও চিত্রনাট্যের মুন্সিয়ানার প্রশংসা করে জুরিবোর্ড জানিয়েছে, অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও সূক্ষ্ম বিন্যাসের কারণে দর্শকরা একজন আদর্শবান শিক্ষকের সঙ্গে পরিচিত হন। ন্যায়বিচার ও সুনির্দিষ্ট নীতিতে বিশ্বাসী সেই শিক্ষক কীভাবে বৃহত্তর কল্যাণের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থের পেছনে ছোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থার জটিলাঁজালে পড়ে প্রভাবিত হন, তা অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত নিজেই সিনেমাটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন অভিনেতা নাসির উদ্দিন খান। স্থানীয় রাজনীতিতে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ করা একজন শিক্ষক কীভাবে ক্ষমতার লোভ ও আপসের যাঁতাকলে পড়ে ধীরে ধীরে বদলে যান, মূলত সেই বাস্তবধর্মী কাহিনী নিয়েই এগিয়ে গেছে এই ছবির মূল গল্প।ছবিটিতে নাসির উদ্দিন খান ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় ও প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নিজেদের মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। এই তারকাবহুল তালিকায় রয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু, শরিফ সিরাজ এবং তাসনুভা তামান্না প্রমুখ। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে সিনেমাটির এমন বড় অর্জনে দারুণ উচ্ছ্বসিত নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি জানান যে, লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের এই স্বীকৃতি ‘মাস্টার’ সিনেমার সর্বজনীন আবেদন ও প্রাসঙ্গিকতার একটি বড় প্রমাণ। এবারের প্রতিযোগিতায় বেশ কিছু শক্তিশালী সিনেমা থাকার পরও তাঁর দলের সবার কঠোর পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করায় তিনি বিচারকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৫৫তম আসরেও বিগ স্ক্রিন প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত হয়েছিল এই সিনেমাটি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের ঝুলি ভারী করার পর এবার দেশের দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি উপহার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন নির্মাতা।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

অর্থ-সম্পদ বেড়েছে, কিন্তু কমেছে মানুষের আন্তরিকতা; হারিয়ে যাচ্ছে পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক সম্প্রীতি!!

মোহাম্মদ রবিউল হোসেন: লেখক ও সাংবাদিক। একসময় পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো ছিল অত্যন্ত আন্তরিক, সহযোগিতাপূর্ণ এবং ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। মানুষের অর্থ-সম্পদ হয়তো কম ছিল, কিন্তু হৃদয়ে ছিল উদারতা, মায়া-মমতা ও একে অপরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। সুখে-দুঃখে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও সমাজের মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়াতেন। সময়ের পরিবর্তনে মানুষের অর্থ-সম্পদ বেড়েছে, বড় বড় বাড়ি হয়েছে, জমি-জায়গা ও ব্যবসা-বাণিজ্য হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, মানুষের সম্পদ যত বেড়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও ভালোবাসা ততই কমেছে। মানুষের মন সংকীর্ণ হয়েছে, বেড়েছে অহংকার, হিংসা, স্বার্থপরতা ও বিভেদ। আগে একটি সমাজের সবাই মিলে মিলাদুন্নবী উদযাপন করতেন। এখন সেই একটি সমাজই দশ ভাগে বিভক্ত হয়ে আলাদা আলাদা আয়োজন করছে। আগে একই সমাজের মানুষ একটি মসজিদে নামাজ আদায় করতেন, একসঙ্গে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। এখন সমাজ ভেঙে আলাদা আলাদা মসজিদ, আলাদা আলাদা বলয় তৈরি হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের এই বিভক্তি কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? একসময় একটি পরিবারে দুই, চার কিংবা পাঁচ ভাই একসঙ্গে বসবাস করতেন। সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করতেন। এখন সেই পরিবারই সম্পত্তির ভাগাভাগি, ব্যক্তিগত স্বার্থ ও মতের অমিলের কারণে দশ ভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। আত্মীয়তার সম্পর্কেও তৈরি হচ্ছে দূরত্ব। একজন আত্মীয়ের পাশে দাঁড়ালে অন্য আত্মীয় অসন্তুষ্ট হচ্ছেন। ভালো কাজের মূল্যায়নের পরিবর্তে কে কাকে কতটা খুশি করতে পারল, কে কাকে কতটা তোষামোদ করতে পারল, সেটিই যেন বড় হয়ে উঠেছে। বর্তমান সমাজে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের সততা, যোগ্যতা কিংবা মানবিকতার চেয়ে অর্থ-সম্পদ ও প্রভাব-প্রতিপত্তির মূল্য বেশি। যার টাকা আছে, যে মানুষকে খাওয়াতে পারে কিংবা আর্থিক সুবিধা দিতে পারে, তার কদর বেশি। অথচ একজন সৎ মানুষ সত্য কথা বললে তার মূল্যায়ন হয় না। মিথ্যা, তোষামোদ ও স্বার্থের সম্পর্ক যেন সমাজে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, মানুষের মানবিকতাও যেন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় একজন মানুষ আহত হয়ে পড়ে থাকলেও অনেকে তাকে সাহায্য করার পরিবর্তে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে ব্যস্ত থাকেন। অথচ একসময় বিপদে পড়া একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল সামাজিক দায়িত্ব ও মানবিকতার পরিচয়। আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, এই সমাজে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কী শিখছে? অর্থ-সম্পদ, বাড়ি-গাড়ি কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্যই কি জীবনের সবকিছু? মানুষ হিসেবে আমাদের পরিচয় কোথায়? ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আত্মীয়তা, প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি যদি হারিয়ে যায়, তাহলে এত সম্পদ দিয়ে কী হবে? মনে রাখতে হবে, আজ আপনার অর্থ আছে, ক্ষমতা আছে, প্রভাব-প্রতিপত্তি আছে বলে আপনি সম্মান পাচ্ছেন; কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। কখন কার কাছে সাহায্যের জন্য যেতে হবে, কখন কার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, তা একমাত্র মহান আল্লাহই জানেন। তাই অহংকার নয়, মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। অর্থ দিয়ে নয়, ভালোবাসা ও মানবিকতা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিন। আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখুন, সমাজের বিভেদ দূর করুন এবং বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ান।কারণ দিনশেষে বাড়ি, গাড়ি, জমি কিংবা অর্থ-সম্পদ নয়, মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও সুন্দর সম্পর্কই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আসুন, বিভক্তির সমাজ নয়, ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও মানবিকতার সমাজ গড়ে তুলি।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

নেত্রকোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: হেলমেট পরা মোটরসাইকেল চালকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল জেলা পুলিশ।

পলাশ পাল,নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: "পুলিশের হাত থেকে রেহাই পেতে নয়, নিরাপদে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য হেলমেট পড়ুন"—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নেত্রকোনায় ব্যতিক্রমী এক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ। হেলমেট পরিহিত মোটরসাইকেল চালকদের রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সড়কে নিরাপদ যাতায়াতের আহ্বান জানানো হয়। আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১২টায় শহরের ব্যস্ততম এলাকায় এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন নেত্রকোণার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. তরিকুল ইসলাম। কার্যক্রম চলাকালে ব্যস্ত সড়কে নিয়ম মেনে চলা মোটরসাইকেল চালকদের থামিয়ে তাদের হাতে রজনীগন্ধা ফুল তুলে দেওয়া হয় এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার গুরুত্ব বোঝানো হয়। চালক ও পথচারীদের উদ্দেশে পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, "বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, যার একটি বড় অংশের শিকার হন মোটরসাইকেল চালকরা। ট্রাফিক আইন অমান্য করে যানবাহন চালানো যেমন অপরাধ, তেমনি হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই পুলিশের ভয়ে নয়, নিজের সুরক্ষার জন্য এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখতে হেলমেট পরে বাইক চালাতে হবে। আপনি বেঁচে থাকলে আপনার পরিবারটি নিরাপদ থাকবে।" তিনি আরও জানান, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো ট্রাফিক আইনে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। চালকদের সচেতন করার পাশাপাশি এ দিন হেলমেটবিহীন কিছু চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হেলমেট দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ট্রাফিক আইন মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পুলিশের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে মুগ্ধ হয়েছেন চালকরা। ফুল পাওয়া এক মোটরসাইকেল চালক জানান, "সামনে পুলিশ সিগন্যাল দেওয়ায় প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো জরিমানা গুনতে হবে। ভয়ের মধ্যে থাকলেও পুলিশ সুপার মহোদয় যখন নিজ হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন, তখন ভীষণ অবাক হয়েছি। পুলিশের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।" উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. হাফিজুল ইসলাম, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রী বলাৎকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ, কঠোর শাস্তির দাবি সৈয়দ হাসান আযহারীর।

পবিত্র দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়ন ও বলাৎকারের মতো জঘন্য ও ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা সৈয়দ হাসান আযহারী। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "মাদ্রাসা আল্লাহর ঘর ও দ্বীন শিক্ষার পবিত্র স্থান। এখানে কোনো অপরাধী বা বিকৃত মানসিকতার মানুষের জায়গা হতে পারে না। যারা দ্বীনি লেবাস গায়ে দিয়ে অবুঝ শিশুদের ওপর এই ধরনের পাশবিক নির্যাতন চালায়, তারা মানবতার শত্রু এবং ইসলামের কলঙ্ক।" সৈয়দ হাসান আযহারী অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সাথে মাদ্রাসার পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকল শিক্ষক, অভিভাবক ও কমিটিকে সর্বোচ্চ সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

জনগণের আস্থা অর্জনে জনকল্যাণমূলক কাজে যুবদলকে এগিয়ে আসতে হবে: প্রশাসক ডা. শাহাদাত

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ধনবাড়ীতে ড্রেনেজ অব্যবস্থাপনা: খাসপাড়া সড়ক এখন জনগণের ‘

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন shadhinbanglanews

স্বাধীন বাংলা ‍নিউজ এর খবর