স্বাধীন বাংলা নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে...
Logo
বিজ্ঞাপন
ad for ad
শিরোনাম

লাইভ টিভি

জাতীয়

সব খবর

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আবারও বিক্ষোভ শুরু করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আবারও বিক্ষোভ শুরু করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। আজ সোমবার সকাল সাতটা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত মহাসড়ক বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করেন তাঁরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১০-১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্ট যানজটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী ও চালকেরা। ঘটনা স্থলে আন্দোলনকারীদের সাথে আলাপকালে জানা যায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে গাজীপুর ও সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে চেরাগ আলী ও বোর্ডবাজার এবং টঙ্গী এলাকায় কিছু কিছু পয়েন্টে শ্রমিকরা জড়ো হন। পরে তাঁরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে আরও কিছু লোকজন যোগ দেন। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার দরুন ঢাকা গামী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও অসুস্থ রোগী বহন কারী যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। ঘটনা স্থলে দেখা যায় চেরাগ আলী এলাকায় বিআরটি লেন এ একটি বাস ভাংচুর পরিলক্ষিত হয়। ভাংচুরের সময় বাসের হেলপার গাড়ির কাচ শরীরে ঢুকে রক্তাক্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় - গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও দায়িত্ব পালন করবেন। মেহেদী হাসান সরদার স্টাফ রিপোর্টার স্বাধীন বাংলা নিউজ

রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

গার্মেন্টসে আগুন দিয়ে দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা চলছে: মুহাম্মদ শাহেদ

সমসাময়িক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে চান্দগাঁও থানা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর বিকেলে চান্দঁগাও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্মআহবায়ক মোরশেদ কামাল এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ। এসময় সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, অতীতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মত দেশের অরাজকতা নির্মূলে দায়িত্ব পালন করেছে, আগামীতে সকল দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত মোকাবেলা যুবদলের হাত ধরেই হবে। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন বলেন, ফ্যাসিস্টদের দোসররা শ্রমিক আন্দোলনের নামে কিছু গার্মেন্টসে আগুন দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের কেউ কেউ বলছে, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন। কিন্তু তা কোনো দিন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। চান্দঁগাও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখে যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন, তাদের আস্থার প্রতিফলন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ইতিমধ্যে ঘটাতে শুরু করেছেন। সরকারের উদ্যোগগুলো পাশ কাটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে, গাড়িতে আগুন দেয়া হচ্ছে। পরে যাদের ধরা হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে তারা ছাত্রলীগ-যুবলীগ। একদিকে পরাজিত শক্তি, আরেকদিকে আরেকটি নতুন শক্তি। এ সময় সব চক্রান্তের বেড়াজাল ছিন্ন করে বিএনপি এগিয়ে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।  এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ সাধারণ সম্পাদক জমির আহমেদ মানিক, কৃষি সম্পাদক নুরুল আমিন, সহ সম্পাদক শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম জহির, সাইদুল ইসলাম, সদস্য জাহেরি মাসুদ, ওয়ার্ড আহবায়ক আকতার হোসেন, আবু বক্কর বাবু, মোহাম্মদ ইস্কান্দার, থানা যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম রুবেল, আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, ইউসুফ আলী লিটন, মোহাম্মদ ফরহাদ, মোহাম্মদ নুরনবী, ছাবের আহমেদ সহ থানা, ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।

মিডিয়া

সব খবর

ইতালির চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও একবার বাংলাদেশের সিনেমার মুকুটে যুক্ত হলো নতুন এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন। ইতালির ঐতিহ্যবাহী লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের ২২তম আসরে ফিচার ফিল্ম কম্পিটিশন বিভাগে সেরা সিনেমার পুরস্কার জিনে নিয়েছে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইতালির লুকা শহরে এই আন্তর্জাতিক উৎসবের পর্দা উঠেছিল এবং উৎসবের সমাপনী দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসা এই উৎসবে বিশ্বমানের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্রগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয় বাংলাদেশি এই সিনেমাটিকে। বিশ্ব চলচ্চিত্রের এই মর্যাদাপূর্ণ আসরে সেরা নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে আবারও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিল দেশের চলচ্চিত্র শিল্প।এবারের আসরে মাস্টার ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আরও ১১টি প্রখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু আন্তর্জাতিক সিনেমার মধ্যে ছিল ‘ফার্স্ট ডেজ’, ‘সি সন্স’, ‘স্যালভেশন’, ‘সাপোর্টিং রোল’, ‘দ্য কোয়ায়েট বি-কিপার’ এবং ‘অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’-এর মতো প্রশংসিত সব কাজ। এই শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলোকে পেছনে ফেলে জুরি বোর্ডের নজর কেড়ে সেরার পুরস্কার নিজেদের করে নেয় ‘মাস্টার’। উৎসবের বিচারকমণ্ডলী তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় সিনেমাটির শৈল্পিক উৎকর্ষ ও গভীর বার্তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাদের মতে, একটি স্থানীয় প্রেক্ষাপটের গল্প ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিরাজমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সংকটকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা।চলচ্চিত্রটির গল্প ও চিত্রনাট্যের মুন্সিয়ানার প্রশংসা করে জুরিবোর্ড জানিয়েছে, অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও সূক্ষ্ম বিন্যাসের কারণে দর্শকরা একজন আদর্শবান শিক্ষকের সঙ্গে পরিচিত হন। ন্যায়বিচার ও সুনির্দিষ্ট নীতিতে বিশ্বাসী সেই শিক্ষক কীভাবে বৃহত্তর কল্যাণের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থের পেছনে ছোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থার জটিলাঁজালে পড়ে প্রভাবিত হন, তা অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত নিজেই সিনেমাটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন অভিনেতা নাসির উদ্দিন খান। স্থানীয় রাজনীতিতে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ করা একজন শিক্ষক কীভাবে ক্ষমতার লোভ ও আপসের যাঁতাকলে পড়ে ধীরে ধীরে বদলে যান, মূলত সেই বাস্তবধর্মী কাহিনী নিয়েই এগিয়ে গেছে এই ছবির মূল গল্প।ছবিটিতে নাসির উদ্দিন খান ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় ও প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নিজেদের মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। এই তারকাবহুল তালিকায় রয়েছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু, শরিফ সিরাজ এবং তাসনুভা তামান্না প্রমুখ। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে সিনেমাটির এমন বড় অর্জনে দারুণ উচ্ছ্বসিত নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি জানান যে, লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের এই স্বীকৃতি ‘মাস্টার’ সিনেমার সর্বজনীন আবেদন ও প্রাসঙ্গিকতার একটি বড় প্রমাণ। এবারের প্রতিযোগিতায় বেশ কিছু শক্তিশালী সিনেমা থাকার পরও তাঁর দলের সবার কঠোর পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করায় তিনি বিচারকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৫৫তম আসরেও বিগ স্ক্রিন প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত হয়েছিল এই সিনেমাটি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের ঝুলি ভারী করার পর এবার দেশের দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি উপহার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন নির্মাতা।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

অর্থ-সম্পদ বেড়েছে, কিন্তু কমেছে মানুষের আন্তরিকতা; হারিয়ে যাচ্ছে পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক সম্প্রীতি!!

মোহাম্মদ রবিউল হোসেন: লেখক ও সাংবাদিক। একসময় পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো ছিল অত্যন্ত আন্তরিক, সহযোগিতাপূর্ণ এবং ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। মানুষের অর্থ-সম্পদ হয়তো কম ছিল, কিন্তু হৃদয়ে ছিল উদারতা, মায়া-মমতা ও একে অপরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। সুখে-দুঃখে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও সমাজের মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়াতেন। সময়ের পরিবর্তনে মানুষের অর্থ-সম্পদ বেড়েছে, বড় বড় বাড়ি হয়েছে, জমি-জায়গা ও ব্যবসা-বাণিজ্য হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, মানুষের সম্পদ যত বেড়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও ভালোবাসা ততই কমেছে। মানুষের মন সংকীর্ণ হয়েছে, বেড়েছে অহংকার, হিংসা, স্বার্থপরতা ও বিভেদ। আগে একটি সমাজের সবাই মিলে মিলাদুন্নবী উদযাপন করতেন। এখন সেই একটি সমাজই দশ ভাগে বিভক্ত হয়ে আলাদা আলাদা আয়োজন করছে। আগে একই সমাজের মানুষ একটি মসজিদে নামাজ আদায় করতেন, একসঙ্গে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। এখন সমাজ ভেঙে আলাদা আলাদা মসজিদ, আলাদা আলাদা বলয় তৈরি হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের এই বিভক্তি কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? একসময় একটি পরিবারে দুই, চার কিংবা পাঁচ ভাই একসঙ্গে বসবাস করতেন। সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করতেন। এখন সেই পরিবারই সম্পত্তির ভাগাভাগি, ব্যক্তিগত স্বার্থ ও মতের অমিলের কারণে দশ ভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। আত্মীয়তার সম্পর্কেও তৈরি হচ্ছে দূরত্ব। একজন আত্মীয়ের পাশে দাঁড়ালে অন্য আত্মীয় অসন্তুষ্ট হচ্ছেন। ভালো কাজের মূল্যায়নের পরিবর্তে কে কাকে কতটা খুশি করতে পারল, কে কাকে কতটা তোষামোদ করতে পারল, সেটিই যেন বড় হয়ে উঠেছে। বর্তমান সমাজে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের সততা, যোগ্যতা কিংবা মানবিকতার চেয়ে অর্থ-সম্পদ ও প্রভাব-প্রতিপত্তির মূল্য বেশি। যার টাকা আছে, যে মানুষকে খাওয়াতে পারে কিংবা আর্থিক সুবিধা দিতে পারে, তার কদর বেশি। অথচ একজন সৎ মানুষ সত্য কথা বললে তার মূল্যায়ন হয় না। মিথ্যা, তোষামোদ ও স্বার্থের সম্পর্ক যেন সমাজে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, মানুষের মানবিকতাও যেন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় একজন মানুষ আহত হয়ে পড়ে থাকলেও অনেকে তাকে সাহায্য করার পরিবর্তে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে ব্যস্ত থাকেন। অথচ একসময় বিপদে পড়া একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল সামাজিক দায়িত্ব ও মানবিকতার পরিচয়। আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, এই সমাজে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কী শিখছে? অর্থ-সম্পদ, বাড়ি-গাড়ি কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্যই কি জীবনের সবকিছু? মানুষ হিসেবে আমাদের পরিচয় কোথায়? ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আত্মীয়তা, প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি যদি হারিয়ে যায়, তাহলে এত সম্পদ দিয়ে কী হবে? মনে রাখতে হবে, আজ আপনার অর্থ আছে, ক্ষমতা আছে, প্রভাব-প্রতিপত্তি আছে বলে আপনি সম্মান পাচ্ছেন; কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। কখন কার কাছে সাহায্যের জন্য যেতে হবে, কখন কার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, তা একমাত্র মহান আল্লাহই জানেন। তাই অহংকার নয়, মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। অর্থ দিয়ে নয়, ভালোবাসা ও মানবিকতা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিন। আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখুন, সমাজের বিভেদ দূর করুন এবং বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ান।কারণ দিনশেষে বাড়ি, গাড়ি, জমি কিংবা অর্থ-সম্পদ নয়, মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও সুন্দর সম্পর্কই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আসুন, বিভক্তির সমাজ নয়, ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও মানবিকতার সমাজ গড়ে তুলি।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

চট্টগ্রামে সরকারি জমি আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে একজনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে জাল দলিল তৈরি করে সরকারি অর্পিত সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় মো. সাদেক খান (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ  মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। মোহাম্মদ সাদেক খান নগরীর কোতোয়ালী থানার লালখান বাজার এলাকার মৃত এম এ সোবহানের ছেলে। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. রেজাউল করিম রনি জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে জাল দলিল তৈরি করে সরকারি অর্পিত সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. সাদেক খানকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, নগরীর লালখানবাজার মৌজায় সরকারের অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি করেন সাদেক খান। জমিটি মূলত টার্নার মরিসান কোম্পানি লিমিটেডের নামে নথিভুক্ত ছিল। পরে তা অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সাদেক খান ১৯৬৮ সালের ২২ মে তারিখের ২৬৩১ নম্বর একটি দলিলের মাধ্যমে জমিটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। ওই দলিলের ফটোকপি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের অর্পিত সম্পত্তি শাখা এবং অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেন তিনি। তবে চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড যাচাই করে দুদক জানতে পারে, ২৬৩১ নম্বর দলিলটি লালখানবাজারের জমিসংক্রান্ত নয়। এটি আনোয়ারার রায়পুর ইউনিয়ন হাই স্কুলের সেক্রেটারির নামে করা একটি দানপত্র দলিল। লালখানবাজার মৌজার নির্ধারিত সূচিপত্রেও ওই দলিলের কোনো এন্ট্রি পাওয়া যায়নি। দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালী থানায় সাদেক খানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৬, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় মামলা করা হয়। মামলা তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিলে ২০২৫ সালের ১৯ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। 

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রী বলাৎকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ, কঠোর শাস্তির দাবি সৈয়দ হাসান আযহারীর।

পবিত্র দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়ন ও বলাৎকারের মতো জঘন্য ও ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা সৈয়দ হাসান আযহারী। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "মাদ্রাসা আল্লাহর ঘর ও দ্বীন শিক্ষার পবিত্র স্থান। এখানে কোনো অপরাধী বা বিকৃত মানসিকতার মানুষের জায়গা হতে পারে না। যারা দ্বীনি লেবাস গায়ে দিয়ে অবুঝ শিশুদের ওপর এই ধরনের পাশবিক নির্যাতন চালায়, তারা মানবতার শত্রু এবং ইসলামের কলঙ্ক।" সৈয়দ হাসান আযহারী অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সাথে মাদ্রাসার পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকল শিক্ষক, অভিভাবক ও কমিটিকে সর্বোচ্চ সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

চট্টগ্রামে সরকারি জমি আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে একজনের কারাদণ্ড

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ভিডিও লোড করতে সমস্যা হয়েছে। API Key বা Channel ID সঠিক কিনা যাচাই করুন।