Logo
শিরোনাম

লাইভ টিভি

বিজ্ঞাপন স্থান (ফিচার অ্যাড)

জাতীয়

সব খবর

গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত

দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম একটি প্রাচীন রূপ হিসেবে গ্রাম সরকার পুনর্বহালের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত সময়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার আলোকে দেশের বিভিন্ন মহলে এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা ধরনের মতামত ও বিশ্লেষণ সামনে আসছে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সেবামূলক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে এই ভাবনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসন আমলে ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে প্রথমবার ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। ওই সময় স্থানীয় জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে গঠিত এই পরিষদগুলো গ্রামের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যবস্থার কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে এবং একপর্যায়ে তা বাতিল করা হয়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনকে আরও নিচুতলায় পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ থেকে সেই ঐতিহাসিক মডেলটি নিয়ে পুনরায় পর্যালোচনা শুরু হয়েছে।গ্রাম সরকার পুনর্বহালের এই আলোচনার পাশাপাশি জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক একটি দিনকে স্মরণ করে আগামী সাত নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাতই নভেম্বরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে এবং এই দিনটিকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে। সাধারণ ছুটির এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কার্যক্রম নির্দিষ্ট ওই দিনটিতে বন্ধ থাকবে, যা পরবর্তীতে অফিসিয়াল আদেশের মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে।সবমিলিয়ে দেশের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোর সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের এই পদক্ষেপগুলো বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। একদিকে তৃণমূলের শাসনব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে ঐতিহাসিক দিনগুলোর মর্যাদাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে যে, এই নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে এক নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি

সব খবর

‘ভিপি নুরের নির্দেশ, ৫ লাখ টাকার কম হবে না’, ফোনালাপ ফাঁসের পর যুব অধিকার নেতা বহিষ্কার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। ভাইরাল হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে বিদেশ গমনেচ্ছু এক ব্যক্তির কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করার কথোপকথন শোনা যায়। এতে গণ অধিকার পরিষদের উচ্চপর্যায়ের নেতার নির্দেশ উল্লেখ করে পাঁচ লাখ টাকার নিচে কোনো কাজ হবে না বলে দাবি করা হয়। লক্ষ্মীপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি ফারুক হোসেনের সঙ্গে ফোনালাপটি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে দাবি করা হচ্ছে। তবে গণমাধ্যমের পক্ষে এই অডিও রেকর্ডের সত্যতা বা এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ভাইরাল হওয়া ওই ফোনালাপে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক এক ব্যক্তিকে একাধিকবার বাবা বলে সম্বোধন করতে শোনা যায়। কথোপকথনে পাসপোর্ট জমা দেওয়া, ওয়ার্ক পারমিটের ব্যবস্থা করা, পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলা হয়। এসব কাজের প্রাথমিক খরচ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ এবং বাকি অর্থ পরবর্তী সময়ে দেওয়ার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। অডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর পরই তা নজরে আসে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের। অনেকেই এই নেতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুললেও তার সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি দ্রুত শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত নেতাকে দল থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেয়। কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাঈম হোসেনের স্বাক্ষর সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফারুক হোসেনকে লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। সংগঠনের এমন কঠোর পদক্ষেপে দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বহিষ্কৃত যুব অধিকার নেতা ফারুক হোসেন। তাঁর দাবি, তিনি এলাকার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার কণ্ঠস্বর নকল করে ওই ভুয়া অডিও তৈরি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। ফোনালাপে থাকা সেই ব্যক্তি জানান যে তার কাছে মূলত পাঁচ হাজার টাকা পাসপোর্ট তৈরির খরচ বাবদ চাওয়া হয়েছিল, যা পরে এডিট করে পাঁচ লাখ টাকা বানানো হয়েছে। এছাড়া গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তার নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ বাণিজ্য বরদাস্ত করা হবে না এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মিডিয়া

সব খবর

ঢাকায় ‘তেরে বিন’ তারকা ওয়াহাজ, সঙ্গে নুসরাত ফারিয়া

জনপ্রিয় পাকিস্তানি টেলিভিশন ধারাবাহিক তেরে বিন-এর সুবাদে দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন অভিনেতা ওয়াহাজ আলী। অভিনয়ের সুবাদে বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশের দর্শকদের হৃদয়েও তিনি বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। সম্প্রতি এই তারকাকে দেখা গেছে রাজধানী ঢাকার এক জমকালো ফ্যাশন শোতে, যা দর্শকমহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সম্প্রতি ‘ইমিরা: দ্য ওয়েডিং চ্যাপ্টার’ শীর্ষক একটি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। এই বিশেষ আয়োজনে অংশ নিতেই ঢাকায় এসেছিলেন পাকিস্তানি অভিনেতা ওয়াহাজ আলী। তাঁর এই উপস্থিতি এবং ঢাকায় আসার খবরটি মুহূর্তের মধ্যে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।ওই ফ্যাশন শোতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াও অংশ নেন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে পাকিস্তানি অভিনেতার সঙ্গে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী। জামদানি মোটিফের গাঢ় বেগুনি লেহেঙ্গা-চোলি পরা নুসরাত ফারিয়া ক্যাপশনে ঐতিহ্যবাহী পোশাকের প্রতি নিজের গর্ব ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, ওয়াহাজ আলীকে দেখা যায় একটি মার্জিত গাঢ় নীল রঙের ফরমাল স্যুট ও শার্ট পরিহিত অবস্থায়।সামাজিক মাধ্যমে এই দুই তারকার ছবি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের কাছ থেকে বিপুল ইতিবাচক সাড়া পায়। ছবিটিতে হাজার হাজার প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি অনেক ভক্ত মন্তব্য বাক্সে তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এই আয়োজনে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ খেতাবধারী সামানজার সাঈদসহ দেশের আরও বেশ কয়েজন পরিচিত মুখ অংশ নেন।উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ‘ইশক ইবাদত’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন ওয়াহাজ আলী। পরবর্তীতে বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করলেও মূলত ২০২২ সালে প্রচারিত ‘তেরে বিন’ ধারাবাহিকে মুরতাসিম খান চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন। ওই নাটকে অভিনেত্রী ইয়ুমনা জায়দির সঙ্গে তাঁর রসায়ন দর্শকদের মনে গভীর রেখাপাত করেছিল।

মতামত/সম্পাদকীয়

সব খবর

প্রবীণরা পরিচিত পরিবেশেই বেশি ভালো থাকেন

হাসান আলী : জীবনের শেষ অধ্যায়টি যেন এক নীরব নদীর মতো যেখানে স্রোত ধীর, কিন্তু গভীরতা অপরিসীম। এই সময়টায় মানুষ আর নতুন কিছুর প্রতি তেমন আগ্রহী থাকে না, বরং ফিরে যেতে চায় তার চেনা পৃথিবীতে, পরিচিত আকাশের নিচে, স্মৃতিমাখা সেই আপন ঠিকানায়।  প্রবীণদের মনোজগৎ তখন আবেগ, স্মৃতি আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম সুতোয় বোনা এক অনন্য জগত। একটি পুরোনো বাড়ি যার দেয়ালে হয়তো রং চটে গেছে, ছাদে কিছু ফাটল তবুও সেটিই প্রবীণের কাছে স্বর্গসম। কারণ সেই বাড়ির প্রতিটি কোণেই জড়িয়ে থাকে তার জীবনের গল্প। সন্তানদের শৈশব, পরিবারের হাসি-কান্না, উৎসবের আনন্দ কিংবা দুঃসময়ের সংগ্রাম সবকিছু যেন নিঃশব্দে কথা বলে সেই দেয়ালগুলোর সঙ্গে। এই স্মৃতিগুলোই প্রবীণদের বেঁচে থাকার প্রেরণা, মানসিক আশ্রয় এবং একান্ত সঙ্গী।  অপরদিকে, যখন এই পরিচিত পরিবেশ থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে নতুন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাদের ভেতরে এক ধরনের অজানা শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও সেখানে থাকে না সেই পরিচিতির উষ্ণতা, নেই চেনা মুখগুলোর সান্নিধ্য। ফলে প্রবীণরা অনেক সময় নিজেদের অপ্রাসঙ্গিক, একাকী এবং অনিরাপদ মনে করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তাদের জীবনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, মন হয়ে পড়ে বিষণ্ণ। বর্তমান সমাজব্যবস্থায় আমরা একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি জীবিকার প্রয়োজনে সন্তানরা দূরে চলে যায়, কেউ শহরে, কেউ বিদেশে। এতে করে বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের একসঙ্গে বসবাস করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার কখনো পারিবারিক মতবিরোধ, দায়িত্ববোধের ঘাটতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে প্রবীণ মা-বাবাকে আলাদা করে রাখার প্রবণতাও দেখা যায়। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য তখনই তৈরি হয়, যখন মা ও বাবাকে আলাদা করে রাখা হয় একজন এক সন্তানের কাছে, অন্যজন আরেক সন্তানের কাছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের শেষে এসে এই বিচ্ছিন্নতা শুধু শারীরিক দূরত্ব নয়, এটি গভীর মানসিক আঘাত। জীবনের শেষ সময়ে এসে যারা একে অপরের আশ্রয় হওয়ার কথা, তারা যদি আলাদা হয়ে যান, তবে সেই কষ্ট নিঃশব্দেই তাদের ভেতরে ক্ষত তৈরি করে। প্রবীণদের চাহিদা খুবই সামান্য। তারা বিলাসিতা চান না, চান না আড়ম্বরপূর্ণ জীবন। তারা শুধু চান একটু আন্তরিকতা, কিছুটা সময়, আর প্রিয়জনদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা। একটি পরিচিত উঠান, একটি পুরোনো গাছের ছায়া, কিংবা পাশের প্রতিবেশীর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প এসব ছোট ছোট বিষয়ই তাদের জীবনে গভীর আনন্দ এনে দেয়। আমাদের উচিত এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করা যে, প্রবীণরা আমাদের জীবনের মূলভিত্তি। তাদের ত্যাগ, ভালোবাসা এবং সংগ্রামের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের বর্তমান। তাই তাদের জীবনের শেষ সময়টুকু যেন হয় সম্মানজনক, শান্তিময় এবং ভালোবাসায় পূর্ণ এটি নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

ত্রয়োদশ নির্বাচন

সব খবর

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবো

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।  

অপরাধ

সব খবর

আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই: এএসআইয়ের বক্তব্য ভাইরাল

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক বা এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই ভিডিওতে তাকে অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়। জনসমক্ষে পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন বিতর্কিত বক্তব্য সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপটিতে এএসআই ইলিয়াস হোসাইনকে বলতে শোনা যায় যে, তিনি গায়ে যে পোশাক পরে আছেন তা ঘুষের টাকা দিয়েই কেনা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি আরও দাবি করেন যে পুলিশ বাহিনীতে চাকরি করেন কেবল ঘুষ খাওয়ার জন্যই। একজন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যের মুখ থেকে এমন অনৈতিক ও বেআইনি স্বীকারোক্তি দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ নাগরিকরা। দায়িত্বে থেকে প্রকাশ্যে দুর্নীতিকে বৈধতা দেওয়ার মতো এমন অপরাধমূলক মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করছেন সচেতন মহল। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপরাধে অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা ঘটনাটির সত্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেলে অভিযুক্ত এএসআইয়ের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বিভাগে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং এ ধরনের কলঙ্কজনক কর্মকাণ্ড রোধে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধর্ম ও জীবন

সব খবর

ইউরিন ব্যাগ লাগানো অবস্থায় কি অজু করা যায়

অসুস্থতা বা শারীরিক জটিলতার কারণে যাদের শরীরে ইউরিন ব্যাগ বা প্রস্রাবের থলি যুক্ত রাখতে হয়, তাদের অনেকেই দৈনন্দিন ইবাদত-বন্দেগী পালন নিয়ে বিশেষ দুশ্চিন্তায় ভোগেন। পবিত্রতা অর্জন বা অজু করার ক্ষেত্রে এই বিশেষ চিকিৎসা সরঞ্জাম কোনো বাধা সৃষ্টি করে কি না এবং তা নিয়ে শরিয়তের বিধান কী, তা জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা এই পরিস্থিতিতে পড়েন, তারা প্রায়শই সঠিক দিকনির্দেশনা না পেয়ে বিভ্রান্তির শিকার হন।ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির যদি এমন স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যা থাকে যার ফলে তার শরীর থেকে অবিরাম প্রস্রাব ঝরতে থাকে, তবে তাকে 'ওজুরে শারয়ী' বা শরীয়তসম্মত ওজর হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধরনের বিশেষ পরিস্থিতিতে আক্রান্ত ব্যক্তি ওজুর সাধারণ নিয়ম থেকে কিছুটা ভিন্ন নিয়মে পবিত্রতা অর্জন করবেন। তার শারীরিক এই বিশেষ অবস্থার কারণে তাকে শরীয়ত বিশেষ ছাড় বা নমনীয়তা প্রদান করেছে।ইউরিন ব্যাগে আগে থেকেই প্রস্রাব জমে থাকা সত্ত্বেও তা একজন ওজরগ্রস্ত ব্যক্তির অজু ভঙ্গের কারণ হিসেবে গণ্য হয় না। চিকিৎসাগত কারণে শরীরে ব্যাগ যুক্ত থাকা অবস্থায় পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে মূল ওজুর ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। তবে ওজু সম্পূর্ণ হওয়ার পর যদি নতুন করে ব্যাগে প্রস্রাব জমা হয়, তবুও ওজু নষ্ট হবে না বলে ইসলামি বিশেষজ্ঞরা অভিমত প্রকাশ করেছেন।তবে ফিকহশাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী ওজরগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজের জন্য নতুন করে অজু করে নিতে হয়। নির্দিষ্ট ওয়াক্তের সময় শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী ওয়াক্তের জন্য আবার নতুনভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এই নিয়মের মাধ্যমে যেকোনো অসুস্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ খুব সহজেই স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব ও ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

ছবির গ্যালারি

আরও দেখুন

গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত

ভিডিও গ্যালারী

আরও ভিডিও »

ভিডিও লোড করতে সমস্যা হয়েছে। API Key বা Channel ID সঠিক কিনা যাচাই করুন।