ধনবাড়ী প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহমুদা খাতুনের সঙ্গে একই উপজেলার পঞ্চাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের প্রেমের সম্পর্ক এবং অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অধস্তন শিক্ষকের এই বিয়ের খবরে পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ওই শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষকের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক সম্প্রতি এলাকায় জানাজানি হয়। এরপরই দ্রুত তড়িঘড়ি করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। তবে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং তাঁর অধীনস্থ এক শিক্ষকের মধ্যে এই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হওয়ায় উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে; চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায়, ধনবাড়ী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত থাকার সুবাদে পঞ্চাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তুহিন রুমির সঙ্গে মাহমুদা খাতুনের পরিচয় এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে তুহিন রুমি তাঁর কর্মস্থলের চেয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসেই বেশি সময় কাটাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষক আপত্তি ও অভিযোগ জানালে, ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষকদের নিয়ে ফেসবুকে নানা ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য প্রকাশ করেন অভিযুক্ত শিক্ষক তুহিন রুমি।অভিযুক্ত শিক্ষক তুহিন রুমি জানান তাঁরা পারিবারিকভাবে ও সামাজিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

এদিকে, বিষয়টি স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনাটিকে ঘিরে সচেতন মহলে ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব ও প্রশাসনিক দায়িত্বের সীমারেখা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, উপজেলা পর্যায়ের একজন ঊর্ধ্বতন শিক্ষা কর্মকর্তা এবং তাঁর অধীনস্থ এলাকার একজন সহকারী শিক্ষকের মধ্যে এমন সম্পর্কের ক্ষেত্রে পেশাগত নৈতিকতা, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা কতটুকু বজায় থাকবে—তা এখন সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।