আজাদ খান, চিতলমারী, বাগেরহাট। সব ধরনের জেল-জুলুম, অন্যায় হামলা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা ও নানা পদের নিপীড়ন উপেক্ষা করে চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে গণসংযোগে অনন্য এক জোয়ার সৃষ্টি করেছেন আহসান হাবীব (ঠান্ডু)। শত প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে তিনি এখন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। স্থানীয় ভোটারদের মতে, নির্যাতন যত বেড়েছে, সাধারণ মানুষের মাঝে আহসান হাবীব ঠান্ডু'র জনপ্রিয়তা ততগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত দিনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একাধিকবার জেল খেটেছেন এবং অসংখ্য মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন এই লড়াকু নেতা। এমনকি তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর একাধিকবার হামলা ও প্রচারণায় বাধা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে এতসব অত্যাচার-নিপীড়নও তাকে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরাতে পারেনি। বরং কারামুক্ত হয়ে বা জামিনে এসেই তিনি আবারও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আহসান হাবীব ঠান্ডু ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাএদলের ব্যানারে হাতেখড়ি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন - ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি'র বিভিন্ন পর্যায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ সালের পর থেকে ফ্যাসিষ্ট সরকারের নির্যাতন, জুলুম, হামলা, মামলার নিপীড়নমূলক নীতির শিকার হন- ২২ বার গ্রেফতার এবং অর্ধশতাধিক মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছেন। ২০১৮ সালে তাঁর বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করেন ফ্যাসিষ্ট লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী। তিনি চলমান চিতলমারী উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে গুরু দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, আহসান হাবীব ঠান্ডু'র পক্ষে সাধারণ ভোটারদের মাঝে এক অভূতপূর্ব সাড়া জেগেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ তাকে ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক’ হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশ্যে আহসান হাবীব ঠান্ডু বলেন, "আমাকে জেল খাটিয়ে, মামলা দিয়ে বা ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমি নিজের জন্য নয়, এই উপজেলার সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে নির্বাচনে নেমেছি। যত দিন বাঁচব, আপনাদের পাশে থাকব। কোনো জুলুম-অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না।" তিনি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান। এদিকে স্থানীয় প্রবীণ ভোটাররা জানান, আহসান হাবীব ঠান্ডু একজন পরীক্ষিত এবং রাজপথের লড়াকু সৈনিক। তাকে যেভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হয়েছে, সাধারণ মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তার উপযুক্ত জবাব দেবে। হামলা-মামলা দিয়ে তার এই গণজোয়ার কোনোভাবেই রুখে দেওয়া সম্ভব নয়। নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, ভোটাররা যদি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান, তবে শত নিপীড়নের শিকার এই প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।