নিজস্ব প্রতিবেদক 

সময়ের সাথে প্রতিদিন।

বিগত সাত মাস ধরে বাবা মা থানা ও আদালত ঘুরে আজও মেলেনি মেয়ের সন্ধ্যান । তাই দেশবাসীর কাছে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিকট বাবা মার আত্মনাদ । তাদের একটি কথা আমাদের মেয়ে জীবিত নাকি মৃত তার সন্ধান দিতে পারিনি প্রশাসন।  বিবাদী সম্পর্কে আমার মেয়ের জামাই গত নয়মাস পূর্বে আমার মেয়ে মোছাঃ সানজিদা আক্তার সামিয়া (১৯), বিবাদীর সহিত উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক রেজিঃ কাবিন মূলে  বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে আমার মেয়ে তিনমাসের অন্তঃস্বত্ত্বা। বিবাহের পর থেকে দিবাদী আমার মেয়ের কোনো কথাবার্তা শুনে না। বিবাদী প্রায়সময়ই আমার মেয়ের সাথে বিভিন্ন ধরনের পারিবারিক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ করে থাকে। উক্ত বিষয় নিয়ে বিবাদী প্রায়সময়ই আমার মেয়েকে মারধর, ভয়ভীতি সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদর্শন করে থাকে। আমার মেয়ে উক্ত বিষয় নিয়ে বহুবার বিবাদীকে বুঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। আমার মেয়ে তার সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে বিবাদীর এহেন কার্যকলাপ সহ্য করে আসছে। এমনকি বিবাদী প্রায়সময়ই আমার মেয়েকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৬/০৫/২০২৫ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ২.০০ ঘটিকার সময় বিবাদী অত্র থানাধীন চর কালীবাড়ী ময়লাকান্দা এলাকায় অবস্থিত তার বাসায় আমার মেয়ের সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে আমার মেয়ের উপর  অতর্কিত হামলা চালায়। বিধাদী আমার মেয়েকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার দুইহাত দিয়ে আমার মেয়ের গলায় স্বজোরে চাপ দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে, বিবাদী আমার মেয়ের চুলের মুঠি ধরে তাকে ধাক্কা মেরে ঘরের মেঝেতে ফেলে দিয়ে আমার মেয়ের হাত-পা সহ সারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে জখম করে জোরপূর্বকভাবে আমার মেয়েকে তার বাসা থেকে বের করে দেয়। এসময় বিবাদী আমার মেয়ের উপর চরম ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ এই মর্মে হুমকি প্রদর্শন করে যে, বিবাদী আমার মেয়ের সাথে আর কোনোদিন ঘর সংসার করবে না এবং উক্ত বিষয় নিয়ে বেশি বারাবারি করলে কিংবা কাউকে জানালে বা থানায় কোনো প্রকার অভিযোগ দায়ের করলে বিবাদী আমার মেয়েকে সময় সুযোগ মত পেলে জানে মেরে লাশগুম করে ফেলবে অন্যথায় তারা আমার মেয়ের নামে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়ে ফাসিয়ে হয়রানি করবে বলে। আমি লোক মারফতে উক্ত বিষয়টি জানতে পেরে আমার আশেপাশের সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোথাও আমার মেয়েকে খুঁজে পাইনি। বিবাদী খুবই ভয়ংকর প্রকৃতির লোক। বিবাদী ভবিষ্যতে যেকোনো সময় আমার মেয়ের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে। এমতাবস্থায় আমি অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে উক্ত বিষয়টি আমার আত্মীয়স্বজন এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া আপনার থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিতে কিছুটা সময় বিলম্ব হইল। আমার ঘটনার স্বাক্ষী আছে। উপরোক্ত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।বিবাদী ১। লাল মিয়া (৪৫), পিতা: মৃত মুসলেম উদ্দিন, সাং- ৩২নং ওয়ার্ড, চর কালীবাড়ী, থানা: কোতোয়ালী, জেলা: ময়মনসিংহ। বর্ণিত বিবাদীর বিরুদ্ধে আমি বাদী হয়ে জেলা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে ১টি মামলা দায়ের করি। যার মোকদ্দমা নং- ১৭২৫/২০২৫। বর্ণিত মামলাটি বর্তমানে চলমান অবস্থায় রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩/০৯/২০২৫ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ৪.২৬ ঘটিকার সময় বিবাদী ০১৭২৪২৫৫০৭৩ নম্বর থেকে আমাকে কল দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ আমি যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি তুলে না নেই তাহলে বিবাদী আমাকে ও আমার পরিবারের যেকোনো সদস্যকে সময় সুযোগমত পেলে জানে মেরে লাশগুম করে ফেলবে অন্যথায় সে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়ে ফাসিয়ে হয়রানি করবে বলে। বিবাদীর এহেন কার্যকলাপের ফলে বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে নিরাপত্তা হীনতার সম্মুখীন হচ্ছি। বিবাদী খুবই ভয়ংকর প্রকৃতির লোক। বিবাদী ভবিষ্যতে যেকোনো সময় আমার ও আমার পরিবারের যেকোনো সদস্যের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে। উপরোক্ত বিষয়টি ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় সাধারন ডাইরীভূক্ত করা হয়।মেয়ের শ্বশুর ও ৩নং বিবাদী মেয়ের শ্বাশুরী। বিয়ের পর থেকে বিবাদী গন বাদীর মেয়েকে যৌতুকের দাবীতে মারপিট করে আহত করে। বার বার বাদীর মেয়েকে যৌতুকের দাবীতে নিজ বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। এই সব বিষয়ে অনেক দেন দরবার হয়। বাদী তার মেয়ে সুখের কথা চিন্তা করে ১নং আসামীকে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা দেয়। কিন্তু বিবাদী বাদীর এসব অত্যাচার না কমিয়ে বার বার মারধর করেন। বিগত কিছুদিন যাবৎ বিবাদীগন বাদীর নিকট ও তার কন্যা ভিকটিমের নিকট ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা যৌতুক দাবী করে আসছে। বাদী ও তার কন্যা কোন যৌতুক দিতে পারবে না জানালে বিবাদীগন ক্ষিপ্ত হয় এবং বাদীকে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। ইতিমধ্যে বাদীর কন্যা ভিকটিম সামিয়া ৪ মাসের অন্তঃস্বত্বা। বিবাদীগন বাদীর কন্যাকে তার সন্তান গর্ভপাত করিতে বলেন। বাদী তাতেও রাজী হয় নি। ফলে বিবাদীগন বাদীর কন্যার উপর অমানসিক নির্যাতন করতে থাকে।। তাছাড়া ১নং আসামী পরকিয়ায় লিপ্ত হয়। বাদীর কন্যা বাধা দিলে তার জন্যও কথা শুনতে হয়। ইতিমধ্যে ভিকটিম অন্তঃস্বত্বা থাকাবস্থায় বাদীর স্ত্রী ও শ্যালিকা ভিকটিমকে নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসে। আসামীরা আমার বাড়ীতে এসে আমার মেয়ের সাথে যৌতুক ছাড়া সংসার করবে বলে আসামীরা বাদীর বাড়ী থেকে ভিকটিমকে নিয়ে আসে। কিছুদিন ভিকটিম আসামীদের বাড়ীতে অবস্থানের পর ০৬/০৫/২০২৫ তারিখ ঘটক বাদীর মেয়ের শ্বাশুরী রহিমা খাতুন রাত ৮টায় বাড়ীতে এসে জানায় যে, ১নং বিবাদী তাকে জানিয়েছে সামিয়া ০৬/০৫/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ২.০০ টায় বাড়ী থেকে বের হয়ে কোথাও চলে গেছে। খবর পেয়ে বাদী বিবাদী গনের বাড়ীতে এসে বাদী স্বাক্ষী সহ স্বাক্ষীগনের উপস্থিতিতে আসামীগনকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে আসামীগন জানায় যে, ঘটনার দিন ও সময়ে অর্থাৎ ০৬/০৫/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ২.০০ টায় ভিকটিম জরুরী কাজে বাইরে গেছে। বাড়ীতে নেই। বাদী কোথায় গেছে জিজ্ঞাসা করিলে আসামীরা কোন উত্তর না দিয়ে আরো খারাপ আচরণ করে।