বিশেষ প্রতিবেদন: বৈশ্বিক সমরাস্ত্র বনাম আমাদের 'চেতনা' ও 'আঙ্গিক' শক্তি। 

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বর্তমান বিশ্বে যখন পরাশক্তিগুলো হাইপারসোনিক মিসাইল, এআই-চালিত ড্রোন আর পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশ তার সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এক ‘অদৃশ্য’ শক্তি দিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা একে বলছেন— "আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা বলয়"।

সমরাস্ত্র বনাম সাংবিধানিক যুদ্ধ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন সীমানা রক্ষায় ব্যস্ত, তখন আমাদের দেশের একদল বুদ্ধিজীবী ও সংগঠন ব্যস্ত ইতিহাসের পাতা উল্টে ‘স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষক’ খুঁজে বের করতে। এই ‘সাংবিধানিক যুদ্ধ’ গত কয়েক দশক ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, গোলাবারুদ ফুরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু এই বিতর্কের শক্তি কোনোদিন ফুরাবে না।

মঙ্গল শোভাযাত্রার ‘বিচিত্র’ বিবর্তন

প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের নতুন সংযোজন হলো মঙ্গল শোভাযাত্রার মাসকট। যেখানে প্রথাগত বাঘের বদলে কুকুর বা ছাগলকে শৈল্পিক কারুকার্যে বাঘের অবয়ব দেওয়া হয়। শিল্পীদের দাবি, এটি একটি বিশেষ রূপক— যা দিয়ে বোঝানো হয় যে, বাইরে থেকে যা-ই মনে হোক না কেন, ভেতরে আমাদের রয়েছে অসীম ধৈর্য (বা ‘ঘেউ ঘেউ’ ও ‘ভ্যা ভ্যা’ করার ক্ষমতা)।

সংগঠনের দাপট: শাহবাগী থেকে উদীচী

যেখানে অন্য দেশের রয়েছে দক্ষ কমান্ডো বাহিনী, সেখানে আমাদের ফ্রন্টলাইনে রয়েছে শাহবাগী, বিভিন্ন বামপন্থী দল এবং উদীচীর মতো সাংস্কৃতিক সংগঠন। তাদের মতে, রাজপথের স্লোগান আর মোমবাতি প্রজ্বলন যে কোনো পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী।

> "অন্য দেশের আছে ট্যাংক-কামান, আমাদের আছে ৭১-এর চেতনার অফুরন্ত সাপ্লাই। এই চেতনা আমরা প্রয়োজনে রফতানিও করতে পারি।" — নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পেশাদার চেতনা ব্যবসায়ী।

উপসংহার:

বিশ্ব যখন সামরিক বাজেটে ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করছে, আমরা তখন ‘চেতনা’র সঠিক বিপণন আর বাঘ-ছাগলের তফাৎ ঘুচিয়ে দেওয়ার উৎসবে মত্ত। সামরিক শক্তি শেষ পর্যন্ত হার মানতে পারে, কিন্তু আমাদের এই অন্তহীন ‘সাংস্কৃতিক যুদ্ধ’ অনন্তকাল বেঁচে থাকবে।

রাজনীতিওবাস্তবতা #চেতনারব্যবসা #অদ্ভুতসংস্কৃতি #রাজনীতিওসাংস্কৃতিকসংগঠন

প্রতিবেদক: মোঃ আরমান মিয়া  সিনিয়র রিপোর্টার স্বাধীন বাংলা নিউজ