ডিজাইন: ইমেজ বন্ধ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

বগুড়া শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।


বগুড়ায় শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 মোঃ শামসুল আলম লিটন ব্যুরো চীফ উত্তরবঙ্গ: বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহিঃ ও আন্তঃবিভাগের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে আর দেশের রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না। তিনি ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল-এর বহিঃ ও আন্তঃবিভাগের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জোবাইদা রহমান-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হতে পারে। তাঁর মতে, একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, গত ১৭ বছরে বগুড়া রাজনৈতিক বৈষম্য ও উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার হয়েছে। বর্তমান সরকার জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কাজ শুরু করলেও একটি মহল বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তবে এসব বাধা উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের পরিকল্পিত ছয়তলা ভবনকে আটতলায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের পাশের একটি বহুতল ভবন অধিগ্রহণ করে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন কামরুজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোশারফ হোসেন, এ কে এম মাহবুবুর রহমান, এম. আর. ইসলাম স্বাধীন এবং আহসানুল তৈয়ব জাকির।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে হৃদরোগ বিষয়ক চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়।