ডিজাইন: ইমেজ চালু
বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

“সমাজের এক দীপ্ত আলো: শিক্ষক, সাংবাদিক,চিকিৎসক ,উকিল ও সমাজসেবক হিসেবে গুণান্বিত মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”


 
মো: জাহিদ সরকার,ধনবাড়ী-টাংগাইল প্রতিনিধি:
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”ছোটবেলা থেকেই অন্যদের চেয়ে কিছুটা আলাদা ছিল। গ্রামীণ একটি স্কুলে পড়লেও, সে ছিল অসম্ভব কৌতূহলী, জিজ্ঞাসু এবং পরিশ্রমী। বাবা ছিলেন মো: ছমির উদ্দিন একজন সাধারণ দলিল লেখক, আর মা একজন গৃহিণী। বই কেনার সামর্থ্য ছিল না, তাই মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”অন্যর পুরোনো বইগুলো ঘেঁটে পড়ে চলত দিনরাত।
একবার স্কুলে বিভিন্ন প্রদর্শনী হলো। মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক নিজ হাতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সম্যাসা নিয়ে একটি প্রতিবেদন লেখেন। গ্রামের অনেকে প্রথমবারের মতো দেখলো একটি বালক এমন কিছু কখা লেখেছে যা পত্রিকায় টিঠি পত্র কলামে ছাপার পর সরকারের নজরে আসে। সেই দিনই সে সিদ্ধান্ত নেয়—একদিন সে সাংবাদিক হবে, এবং নিজের পত্রিকা ,টেলিভিশন মালিক হয়ে মানুষের জীবন বদলে দেবে। আজ সে স্বাধীন বাংলা টিভি,সিইও হিসাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আছে।
একজন মানুষ যখন একইসাথে সাংবাদিক, শিক্ষক উকিল,চিকিৎস এবং সমাজসেবক হন, তখন তিনি শুধু নিজের নয়—সমগ্র সমাজের দিগন্ত বদলে দিতে পারেন। এমনই এক আলোকবর্তিকা হচ্ছেন মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় জুড়ে আছে সততা, দায়িত্ববোধ ও নিরলস পরিশ্রম।
সাংবাদিকতায় নৈতিকতার প্রতীক:
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক” একজন নির্ভীক ও সৎ সাংবাদিক হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। দীর্ঘ ১৮ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি তুলে ধরেছেন সমাজের দুর্নীতি, বৈষম্য ও নিপীড়নের নানা চিত্র। তাঁর কলমে যেমন উঠে আসে নিপীড়িতদের কান্না, তেমনি থাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তিনি বিশ্বাস করেন—“সাংবাদিকতা শুধু খবর পরিবেশন নয়, এটি সমাজ বদলের হাতিয়ার।”
শিক্ষক হিসেবে আলোর দিশারি:
একইসাথে আব্দুর রাজ্জাক”একজন আদর্শ শিক্ষক। তিনি তার পিতার নামে ‘‘ছমির ভেন্ডার স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজ” প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ‘র দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর পাঠদান পদ্ধতিতে শুধু বইয়ের জ্ঞানই নয়, শেখানো হয় মানবতা, সততা ও দায়িত্ববোধ।ছাত্র/ছাত্ররী তাঁকে শুধু শিক্ষক নয়, একজন “বন্ধু ও অনুপ্রেরণার মানুষ” হিসেবে দেখে।
সমাজসেবায় অগ্রভাগের যোদ্ধা:
আব্দুর রাজ্জাক” প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি সেবামূলক সংগঠন—“ছমির ভেন্ডার স্মৃতি বৃত্তি ফাউন্ডেশন”, যার মাধ্যমে তিনি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যবই, খাদ্যসামগ্রী, স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। দুর্যোগকালীন সময়ে তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে।
সম্মাননা ও স্বীকৃতি :
তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন “সততার প্রতীক সাংবাদিক সম্মাননা (২০১৮)”, “শিক্ষা অনুরাগী পুরস্কার (২০২২)” এবং “স্থানীয় সমাজসেবা স্বর্ণপদক (২০২৪)”।
সাক্ষাৎকারের একাংশে তিনি বলেন: “আমি বিশ্বাস করি, একজন ভালো মানুষ হওয়াই প্রথম পরিচয়। শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা কিংবা সমাজসেবা—সবই ভালো মানুষ গড়ার মাধ্যম মাত্র।
গ্রামের চিকিৎসক: সেবার নিরব যোদ্ধা:
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে তা এখনো অনেকাংশে সীমিত। এ বাস্তবতায় গ্রামের চিকিৎসকরা হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁরা শুধু রোগ নিরাময় করেন না—তাঁরা আশা দেন, সান্ত্বনা দেন, এবং অনেক সময় প্রাণ বাঁচানোর শেষ ভরসা হন মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”।
গ্রামের চিকিৎসকের ভূমিকা মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক :
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা: গ্রামের মানুষ রোগ হলে প্রথমেই যে ব্যক্তির শরণাপন্ন হয়, তিনি হলেন গ্রামের চিকিৎসক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”। হালকা জ্বর, ব্যথা, সংক্রমণ, ইনজুরি, গর্ভবতী নারীর পরামর্শ ইত্যাদি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সেবা দেন মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”।
সুলভ ও সহজলভ্য চিকিৎসা:
শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। গ্রামের চিকিৎসকরা অল্প খরচে ও সহজ ভাষায় চিকিৎসা দিয়ে থাকেন, যা মানুষকে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা দেয়।
বিশ্বাস ও মানসিক সাপোর্ট:
গ্রামের মানুষ অনেক সময় শহরের ডাক্তারদের কাছে যেতে সংকোচ বোধ করে বা সময় ও অর্থের অভাবে যেতে পারে না। গ্রামের চিকিৎসকদের সঙ্গে একটি আস্থা ও আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা রোগী সুস্থতার জন্য মানসিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”।
জরুরি মুহূর্তে সহযোগিতা:
রাতে হঠাৎ ডেলিভারি, বিষক্রিয়া, সাপের কামড়, আগুনে পোড়া—এইসব সময় কোনো অ্যাম্বুলেন্স বা আধুনিক সুবিধা না থাকলে গ্রামের চিকিৎসকই জীবন রক্ষাকারী ভূমিকায় থাকেন মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”।
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”প্রমাণ করে দিয়েছেন—একজন মানুষ ইচ্ছাশক্তি, সততা ও মানবিকতাকে সঙ্গী করে সমাজে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারেন। তিনি আমাদের প্রেরণা, আমাদের সময়ের নীরব নায়ক।
"আইনের শিক্ষায় সমাজসেবায় এগিয়ে: এলএলবি ডিগ্রিধারী মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”তরুণের প্রতিজ্ঞা"
বর্তমানে তরুণ সমাজ শুধু চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যেই উচ্চশিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। তেমনই একজন উদ্যমী তরুণ হচ্ছেন মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”যিনি এলএলবি (LLB) ডিগ্রি অর্জন করে আইনের মাধ্যমে সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠার সংকল্প গ্রহণ করেছেন।
শিক্ষাজীবনের সাফল্য:
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক দেশের একটি স্বনামধন্য বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানের সাথে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবনেই তিনি বিভিন্ন আইনি বিতর্ক, মক ট্রায়াল (ছায়া আদালত), মানবাধিকার সংক্রান্ত সেমিনার এবং আইনি সহায়তা ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি বিশ্বাস করেন, আইন শুধুই বইয়ের বিষয় নয়—এটি মানুষের জীবন, ন্যায়বিচার ও অধিকার রক্ষার হাতিয়ার।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সমাজসেবা:
ডিগ্রি অর্জনের পর মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”গ্রামের দরিদ্র মানুষদের জন্য ফ্রি লিগ্যাল অ্যাডভাইজ (বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ) দেওয়ার উদ্যোগ নেন। বিশেষ করে জমিজমা, পারিবারিক বিরোধ ও নির্যাতনের শিকার নারী-শিশুদের জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছে।
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”এর ভাষায়—"আমার শিক্ষা তখনই সার্থক হবে, যদি আমি আইনের জ্ঞান দিয়ে একজন নির্যাতিত মানুষকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে পারি।"
আইনের ছাত্র থেকে ন্যায়ের সহযোদ্ধা:
সুশাসনের জন্য সুশিক্ষিত আইনজীবীর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”মত তরুণরা সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে আসছেন। তাঁর লক্ষ্য শুধু আইন পেশা নয়, বরং আইনকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”বিভিন্ন জমিজমার আইনি পরামর্শ বিনামূল্যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন । এলএলবি ডিগ্রি শুধুই একটি সার্টিফিকেট নয়—এটি একজন মানুষের দায়িত্ববোধ, ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক। মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এর মত তরুণরা প্রমাণ করছেন, সঠিক শিক্ষা আর সদিচ্ছা থাকলে আইন দিয়েই সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব।
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”২০২৪ সালে ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হিসাবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী ছিলেন। মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক”* সরকারি সনদ ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, তল্লাশি কারক, সার্ভেয়ার ও দলিল লিখক, সাব-রেজিস্ট্রী অফিস, সারা বাংলাদেশ। * সম্পাদক ও প্রকাশক, স্বাধীন বাংলা নিউজ টিভি (আই.পি)। * বিশেষ প্রতিনিধি, The Daily Black & White.* নিউজ এডিটর, জাতীয় দৈনিক নবতান। * সদস্য, ইন্টারন্যাশনাল অটিজম ফাউন্ডেশন। * সহসম্পাদক, বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর জাতীয় নিউজ পোর্টাল, স্বাধীন বাংলা নিউজ ডট কম (রেজি: নং-১৭৯), সাবেক সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়েশন, ধনবাড়ী উপজেলা শাখা।* চেয়ারম্যান, ছমির ভেন্ডার স্মৃতি বৃত্তি ফাউন্ডেশন। * সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মধুপুর উপজেলা প্রেসক্লাব। * সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, ছমির ভেন্ডার স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজ। * ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অতিথি মেডিক্যাল হল। ধনবাড়ী প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি। জ্ঞান, পরিশ্রম, সততা ও মানবিকতার সংমিশ্রণই একজন মানুষকে "বহু গুণে গুণান্বিত সফল ব্যক্তি" করে তোলে।তার প্রমাণ মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক । তার সাথে কথা বলতে চাইলে কল করুন: 01619396649।