বিশেষ প্রতিনিধি
সময়ের সাথে প্রতিদিন
মোঃজয়নাল আবেদীন আকন্দ = জামালপুর জেলা মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন কৌশলে ঘোষ বাণিজ্যে সাধারণ জমির মালিকগণ ভোগান্তি শিকার হচ্ছে । জানা যায় - ১ নং দুরমুঠ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়ীত্বপ্রাপ্ত নায়েব মোঃ আলাল উদ্দিনের হাতে থাকা দালাল দিয়ে ঘোষ বাণিজ্যে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে জমির খারিজ করা বাবদ প্রতিজনের নিকট হতে ১৫ হাজার টাকা আবার কৌশলে কাহারো নিকট হতে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাণিজ্য করেছে এই ঘুসখোর নায়েব মোঃ আলাল উদ্দিনের, ইতি পূর্বে তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়ীত্বে থাকাকালীন ভূমিহীনদের মাঝে ঘর দেওয়ার নামে ৩০ হাজার করে টাকা নেওয়ার কারনে এলাকাবাসী এই ঘুষখোর নায়েব মোঃ আলাল উদ্দিনকে এলাকাবাসী কয়েক ঘন্টা আবদ্ধ করে রাখলে - এক পর্যায় দেওয়ানগঞ্জ প্রশাসনকর্তৃক নায়েব মোঃ আলাল উদ্দিনকে জনতার হাত হতে উদ্ধার করে বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায় । তার ঘুষ জালিয়াতী নেশায় পরিনত হওয়ায় দুরমুঠ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি হয়ে এসে পুনরায় পূর্বের মতো ঘুষবাণিজ্য কাজে লিপ্ত থাকায় তার বিরুদ্ধে দুরমুঠ ইউনিয়নবাসী জামালপুর জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন । অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারের আশায় অপেক্ষা করিতেছে এলাকাবাসী । ঘুষখোর নায়েব আলাল উদ্দিনের ঘুষ জালিয়াতীর খবর প্রকাশ হলে তাকে দুরমুঠ ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে তড়িৎগতিতে বদলি করা হয় বলে জানা যায় । এখানে ভূক্তভোগীদের পাওনা টাকার সুরাহা কে দিবে - তানিয়ে চলছে হতদরিদ্র পাওনাদার ব্যক্তিদের মাঝে জল্পনা-কল্পনার একপর্যায়ে উত্তেজনা । ভূক্তভোগীরা আশা করে ছিলো জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাদের পাওনা টাকাগুলো ঘুষখোর নায়েবের নিকট হতে উদ্ধার করে দিয়ে - নায়েব আলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি মূলক ব্যবস্হা গ্রহন করা । তা নাহয়ে শুধু মাত্র কর্মস্হল পরিবর্তন । তাহলে তো এই নায়েবের ঘুষ জালিয়াতী অপকর্মের সাহস দিন দিন বৃদ্ধি পাবে বলে এলাকাবাসীর জানায় ।