ডিজাইন: ইমেজ চালু
বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ময়মনসিংহ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এ জি এস মাহাবুব বিএনপি এর শোক সভা ও দোয়া মাহফিল


বিভাগীয় ময়মনসিংহ প্রতিনিধি বিথী রানী দে 

আজ ০৪/০১/২০২৬ইং রোজ রবিবার বাদ আসর ময়মনসিংহ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এ জি এস মাহাবুব আরো উপস্থিত ছিলেন বাস্তহারা শ্রমিক দল ময়মনসিংহ মহানগর শাখার মোহাম্মদ রাসেল মিয়া।বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের সাথে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন করেছেন। শহীদ জিয়া প্রজন্ম দল সহ আইন বিষয়ক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মোহাম্মদ রাসেল মিয়া শোক প্রকাশে বলে বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে বাস্তহারা শ্রমিক দল ময়মনসিংহ মহানগর শাখা। তার এক মহান অভিভাবককে হারালাম। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।এ জি এস মাহাবুব বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার অবদান, তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তার প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।রাসেল মিয়া আরো বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।তার আপোষহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।এ জি এস মাহাবুব বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রে ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।তিনি বলেন, তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে। বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।