ডিজাইন: ইমেজ চালু
রবিবার ৩০ আগস্ট ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন


নির্বাহী সম্পাদক মোঃ নূরে আলম।

সময়ের সাথে প্রতিদিন।

 

কৃষিবিদ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক ৩-৩ বারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশের সাথে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।আলহামদুলিল্লাহ্। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অশেষ মেহেরবান যে, সুন্দর আবহাওয়া, সুশৃংখল পরিবেশ এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের দোয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের সবার প্রিয় নেত্রীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়ার বিরল এই বিদায়ী সম্মাননা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে ইনশাল্লাহ। আল্লাহ ম্যাডামকে তাঁর কবরে জান্নাতের সুখ-শান্তি দান করুন আমিন।বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাফনে এবং তার জানাজায় অংশ নিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। তার মৃত্যুতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোকের পাশাপাশি বুধবার পালিত হয় সাধারণ ছুটি। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন ভারত, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

বুধবার সারাদিন যা যা হলো-রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকার শেরে-বাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হয়।খালেদা জিয়ার জানাজায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশিষ্টজনসহ অংশ নিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। ছেলে তারেক রহমান ছাড়াও জানাজায় অংশ নেন তার পরিবারের সদস্যরা, নারীদের অংশগ্রহণের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ও জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন এসেছিলেন ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।এর আগে সকাল নয়টার আগে লাল-সবুজের পতাকা মোড়ানো অ্যাম্বুলেন্সে করে বাংলাদেশের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মরদেহ বের করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে। সেখান থেকে ঢাকার গুলশান অ্যাভিনিউয়ে ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয় খালেদা জিয়ার মরদেহ। সেখানে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতাকর্মী ও স্বজনেরা। গুলশান থেকে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে আসা হয় জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় জানাজাস্থলে।খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। জানাজার কারণে বুধবার সাধারণ ছুটি ছিল সারাদেশে।