ডিজাইন: ইমেজ চালু
শুক্রবার ২১ আগস্ট ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

মধুপুরে ত্যাগী বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান লিটনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার: ফুঁসে উঠেছে তৃণমূল


এস.এম. আব্দুর রাজ্জাক: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক, রাজপথের পরীক্ষিত ও কারা-নির্যাতিত নেতা সিদ্দিকুর রহমান লিটনের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত ‘টাঙ্গাইল প্রতিদিন’ নামক একটি স্থানীয় পত্রিকায় এক মাদক কারবারির ভিত্তিহীন খবরের সাথে জড়িয়ে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এই মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের পর পুরো গোলাবাড়ী ইউনিয়নজুড়ে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। সিদ্দিকুর রহমান লিটনের রাজনৈতিক জীবন এক দীর্ঘ আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস। গোলাবাড়ী ইউনিয়নের আমিল গ্রামের স্বনামধন্য ছামান ডাক্তারের সুযোগ্য সন্তান তিনি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শের একজন একনিষ্ঠ সৈনিক। গোলাবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতির পদ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে তার নেতৃত্বের যোগ্যতা প্রমাণ করেন। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তিনি পরবর্তীতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং যুব সমাজকে সুসংগঠিত করেন। সেখানেই তিনি ক্ষান্ত হননি; মেধা, শ্রম ও সততার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দলের এক আস্থার প্রতীকে। রাজনীতির বহু চড়াই-উতরাই ও বন্ধুর পথ পেরিয়ে সিদ্দিকুর রহমান লিটন আজ এই পর্যায়ে এসেছেন। বিএনপির সবচেয়ে কঠিন ও দুঃসময়ে যখন অনেকেই পিছপা হয়েছিলেন, তখন তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলের হাল ধরেছিলেন। বারবার কারানির্যাতন ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। দলের দুঃসময়ের এই অকুতোভয় কান্ডারী নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করে গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপিকে এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সক্ষম হন। তার এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ গোলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব লাভ করেন। পাশাপাশি মধুপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবেও তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে গোলাবাড়ী ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে সিদ্দিকুর রহমান লিটন একটি প্রিয় ও পরিচিত নাম। আপামর জনসাধারণের কাছে তিনি একজন সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও জনদরদী নেতা হিসেবে সমাদৃত। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আজ যখন দলের সুদিন ফিরে এসেছে, ঠিক তখনই চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছেন এই ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। সুযোগসন্ধানী একটি মহল তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে সমাজে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তার মতো একজন পরিচ্ছন্ন ও আদর্শবান নেতার বিরুদ্ধে এমন কুরুচিপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন অপপ্রচারে স্থানীয় জনসাধারণ ও তৃণমূল বিএনপির নেতৃবৃন্দ চরমভাবে হতবাক ও ক্ষুব্ধ। তারা অবিলম্বে এই ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একইসাথে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।