ডিজাইন: ইমেজ চালু
শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

চট্টগ্রামে ১৯ নং ও দক্ষিণ বাকলিয়ায় কাউন্সিলর পদে লড়তে চান তরুন আরমুন খাঁন


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীর ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মো. আরমুন খাঁন। দীর্ঘ ১৬ বছরের রাজনৈতিক পথচলা, হামলা-মামলার অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ওয়ার্ডবাসীর সেবা করতে চান তিনি। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা তাঁর। ২০১০ সালে ছাত্রদলের রাজনীতিতে পথচলা শুরু মো. আরমুন খাঁনের। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের হাত ধরে রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি বাকলিয়ার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এই তরুণ নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা,হামলা-মামলা এবং পারিবারিক বিচ্ছিন্নতার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন আরমুন খাঁন। তাঁর ভাষ্য, রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে দলের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন তিনি। বর্তমানে আরমুন খাঁন বাকলিয়া থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, শহীদ ওয়াসিম স্মৃতি সংসদ বাকলিয়া থানার সহসভাপতি এবং জিয়া সাইবার ফোর্স চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সন্তান আরমুন খাঁনের দাদা ছিলেন মরহুম ইসলাম খাঁন সওদাগর। পারিবারিক ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করতে চান আরমুন খাঁন। তাঁর প্রত্যাশা, এলাকার তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা। এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোকে সামনে রেখে কাজ করতে চান তিনি। তবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। রাজনীতির মাঠে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ বাকলিয়ার মানুষের আস্থা অর্জন করতে চান মো. আরমুন খাঁন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে তাঁর অবস্থান কী হবে, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং ভোটারদের সমর্থনের ওপর।