রামচন্দ্র ঘোষ:
টাঙ্গাইলের মধুপুর–ধনবাড়ী সংসদীয় আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ার পরও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ও এলাকার উন্নয়নের অঙ্গীকার থেকেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
মির্জাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপাল বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি প্রতিশ্রুতি দেন—“মানুষের সেবা ও এলাকার উন্নয়নই হবে আমার রাজনীতি।”
স্থানীয় সাংবাদিক রামচন্দ্র ঘোষ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জনাব আসাদুল ইসলাম আজাদ এলাকার গরিব–দুঃখী, অসহায়, কর্মহীন ও প্রান্তিক মানুষের পাশে থেকে মানবিক কাজ করে আসছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসংখ্য আশ্রয়হীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন তিনি। গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত বিনামূল্যে সুষম খাদ্য সহায়তা ও চিকিৎসা সহযোগিতা দেওয়া তাঁর মানবিক দায়িত্বের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষায়,
“ওই এলাকার প্রতিটি মানুষের মুখে একটাই নাম—আসাদুল ইসলাম আজাদ। তিনি সৎ, আদর্শবান ও মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসেন।”
তার সততা, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও মানবিক মনোভাবের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তিনি ইতোমধ্যেই একজন জনপ্রিয় ও আস্থাভাজন নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এলাকার গরিব ও মেহনতি মানুষের কাছে তিনি প্রতিনিয়ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন—যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলে ধরেছে।
মতবিনিময় সভায় বক্তৃতাকালে তিনি বলেন,
“যদি মানুষ আমাকে সুযোগ দেয়, মধুপুর–ধনবাড়ীকে একটি মডেল সংসদীয় এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবো। বেকারত্ব দূরীকরণ, অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার এবং স্বাস্থ্যসেবার সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম কাজ।”
স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা—
“এবারের নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, পরোপকারী, অভিজ্ঞ ও মানবিক নেতাকে আমাদের এমপি হিসেবে দেখতে চাই। সেই নেতা হলেন কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ।”
তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের মাঝে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের কল্যাণে সারাজীবন কাজ করে যাওয়া এই মানবিক নেতা আগামী নির্বাচনে সফল হলে ধনবাড়ী–মধুপুরের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে—এমন আশা ব্যক্ত করেছেন সাধারণ মানুষ।