বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে উনপঞ্চাশতম বিশেষ বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে কয়েকশ প্রার্থীকে সহকারী অধ্যাপক বা সমমানের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ক্যাডার সার্ভিসটিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি এর আগে এই বিশেষ বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছিল। ওই ফলাফলের ভিত্তিতে বিভিন্ন সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বেশ কিছু প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনীত করা হয়েছিল। তবে ক্যাডারভিত্তিক যোগ্য প্রার্থীর ঘাটতি থাকায় সেই সময় বেশ কয়েকটি শূন্য পদে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে পিএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।
এদিকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পিএসসির সুপারিশ করা সব উত্তীর্ণ প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় স্থান পাননি। মূল ফলাফলে অনেকেই কৃতকার্য হলেও সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কী কারণে এই বঞ্চিত হওয়া বা বাদ পড়ার ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, এই বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য লক্ষাধিক চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেছিলেন, যা দেশের জনশক্তি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানামুখী আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অচিরেই প্রশাসন এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে ধোঁয়াশা দূর করবে।